Daily Sunshine

বগুড়ার শেরপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে ,সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই

Share
মিন্টু ইসলাম (শেরপুর বগুড়া)প্রতিনিধিঃ  ভবনের দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। ছাদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তরা। নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। একতলা ছাদ বিশিষ্ট এ ভবনেই ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে চলছে চিকিৎসা সেবা। আর কর্মকতারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রোগীদের সেই কাঙ্খিত সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আবাসিক ভবনে গরু ছাগল রাখার মত কোন পরিবেশ নেই।
জানাযায়,জনগনের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেদ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে জনবল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় ১ জন পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা, ১ জন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার,  ১ জন পঃপঃ পরিচালক, ৬ জন অফিস সহায়ক। এতে করে ইউনিয়নের দরিদ্র, অতি দরিদ্রসহ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ছোটখাটো চিকিৎসা সেবা পেয়ে আসছে। শেরপুর উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ টি উপস্বাস্থ্য ও ৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র অবস্থিত। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন থেকে ব্যবহারের অনোপযোগী হলেও কোনোদিন সংস্কার কাজ হয়নি। দেখা যায়, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ভবনের বেহাল দশা। ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্র বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ থাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করা দরকার বলে দারি করেছেন স্থানীয়রা। ভবনের দেয়ালে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। ছাদের পলেস্তরা খসে পরেছে ছাদদিয়ে পানি পড়ছে। কক্ষ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। বসারমত তেমন জায়গা নেই। এলাকাবাসী জানান, টয়লেট ও আবাসিক ভবন একদম ভেঙ্গে পড়ে এখন সেগুলো বন্ধ হয়ে আছে। টয়লেট বন্ধ থাকায় ঐ ভবনের মাঝে টয়লেট করছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে কামার রজব আলী জানান, আবাসিক ভবন জরাজির্ণ হয়ে পড়ে আছে এটা এখন জনসাধারণের টয়লেটের জায়গা। খানপুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম রাঞ্জু বলেন, প্রতিদিন ইউনিয়নের শত শত নারী-পুরুষ, শিশু ও কলেজ-স্কুলগামী মেয়েরা এসে এই কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা সেবা নেয়। দ্রুত কেন্দ্রটি সংস্কার না করা হলে ইউনিয়নে চিকিৎসা সেবা দিন দিন বন্ধ হয়ে যাবে। ইউনিয়নে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার করা উচিত।
খানপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রনজিৎ কুমার তালুকদার বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাঙ্খিত সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ ভবন ও আবাসন ভবন পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। আমরা বাহিরে গিয়ে টয়লেট করে আসি। এ ব্যাপারে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদের বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে। খুব শিগগিরই ভবন সংস্কারের কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদী।
জুন ২৫
২০:০৬ ২০২১

আরও খবর