Daily Sunshine

মেধাবী শাহিনের মেডিকেলে ভর্তির ব্যবস্থা করলেন বাগমারার ইউএনও

Share

স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: অবশেষে সরকার সূদীপ্ত শাহিনের মেডিকেলে ভর্তির ব্যবস্থা করলেন বাগমারার ইউএনও শরিফ আহম্মেদ। আজ বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সূদীপ্ত শাহিনের মেডেকেলে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের চেক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছরে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় সরকার সূদীপ্ত শাহিন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ পায়। অর্থের অভাবে তিনি মেডিকেলে ভর্তি হতে পারছিলেন না। বিষয়টি জানার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার সূদীপ্ত শাহিনের ভর্তির ব্যবস্থা করেন। সরকার সূদীপ্ত শাহিন উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের কামনগর গ্রামের আব্দুল লতিফ সরকারের ছেলে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফ আহম্মেদ বলেন, সরকার সূদীপ্ত শাহিন একজন মেধাবী ছেলে। হতদরিদ্রতার কারণে সে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়ে অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছিল না । বিষয়টি জানার পর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি। আমরা আশা করি সে একজন ভাল চিকিৎসক হয়ে দেশের অসহায় মানুষের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা করবে ।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী কর্মকর্তা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী সানোয়ার হোসেন, ভবানীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর ইসমাইল হোসেন, ও,এস শহিদুল্লাহ সহ স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

সানশাইন/২০ নভেম্বর/ রোজি

নভেম্বর ২০
২০:২৫ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আঁকাআঁকি থেকেই তন্বীর ‘রংরাজত্ব’

আসাদুজ্জামান নূর : ছোটবেলা থেকেই আঁকাআঁকির প্রতি নেশা ছিল জুবাইদা খাতুন তন্বীর। ক্লাসের ফাঁকে, মন খারাপ থাকলে বা বোরিং লাগলে ছবি আঁকতেন তিনি। কারও ঘরের ওয়ালমেট, পরনের বাহারি পোশাক ইত্যাদি দেখেই এঁকে ফেলতেন হুবহু। এই আঁকাআঁকির প্রতিভাকে কাজে লাগিয়েই হয়েছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। তুলির খোঁচায় পরিধেয় পোশাকে বাহারি নকশা, ছবি, ফুল

বিস্তারিত




এক নজরে

আমাদের সাথেই থাকুন

চাকরি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

জোরালো হচ্ছে সরকারি চাকরিতে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি

সানশাইন ডেস্ক : সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। এরপর অবসরের বয়স বাড়ানো হলেও প্রবেশের বয়স আর বাড়েনি। বেকারত্ব বেড়ে যাওয়া, সেশনজট, নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। তবে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি

বিস্তারিত