সর্বশেষ সংবাদ :

পবায় পুকুরখননে বাধা দেওয়ায় জমির মালিকরাই আসামী!

স্টাফ রিপোর্টার: এবারে রাজশাহীর পবায় পুকুরখনন বন্ধে প্রশাসনের কাছে আবেদন করে বিপাকে পড়েছে জমির মালিকগণ। সমাধান তো দুরে থাক তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুকুরখনন সিন্ডিকেটের সদস্যরা।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের হাট গোদাগাড়ী ভবানীপুর গ্রামে।
ভবানীপুর গ্রামের পক্ষে মো. ইন্তাজ আলী তাদের গ্রামের মাঠে তিন ফসলি জমিতে পুকুরখনন বন্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আবেদন করেন। মাঠের আবাদযোগ্য জমিতে ৪০ থেকে ৪৫ বিঘা আয়তনের ১টি পকুর খনন করবেন বলে গ্রামবাসি জেনেছেন। এ পুকুর হলে পুকুরের চারিদিকে মাঠের পানি নামতে বাধাপ্রাপ্ত হবে। তখন জমিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেবে। জমি অনাবাদি পড়ে থাকবে। এমনকি বেশী বৃষ্টিপাত হলে বাড়ি-ঘরও ডুবে যাবে।
আজাদ আলী বলেন, কতিপয় সাধারণ কৃষকদের অতিরিক্ত টাকার লোভ দেখিয়ে চুক্তিভিত্তিক ইজারা নিয়ে পুকুর খনন করার উদ্যোগ নিয়েছেন পুকুরখনন সিন্ডিকেটের সদস্যরা। এই পুকুরখনন হলে আবাদযোগ্য জমিই থাকবে না। ভুক্তভোগী কৃষকরা আরও বলেন, হাজারো কৃষকের জীবন জীবিকার কথা না ভেবে টাকার লোভে পড়ে যত্রতত্র পুকুর খনন করে দিচ্ছেন একটি প্রভাশালী পুকুর খননচক্র।
এদিকে পুকুর খননে বাধা দেয়ার অজুহাতে ভুক্তভোগিদের নামে আদালতে মামলা করেছেন পুকুরখনন সিন্ডিকেটের সদস্যরা। উপজেলা বড়ভালাম গ্রামের মৃত হোসেন মন্ডলের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় দুইজনকে আসামী করা হয়। এরা হলেন, ভবানীপুর গ্রামের আকরাম হাজীর ছেলে মো. আজাদ আলী ও মো. ইন্তাজ আলী।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিত সরকার বলেন, পুকুরখনন বন্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। তবে কারোর একার পক্ষে এই পুকুর খননকারী চক্রকে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য তিনি স্থানীয়ভাবে ভুক্তভোগী কৃষকদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।


প্রকাশিত: মার্চ ২৫, ২০২৪ | সময়: ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ

আরও খবর