সার না থাকায় ডিলারের দোকানে ঢুকে কর্মচারীদের মারধর

পুঠিয়া প্রতিনিধি: রাজশাহী জেলা পুঠিয়া উপজেলার চারানি বাজারে সার না থাকায় বিসিআইসি ডিলারের দোকানে ঢুকে কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে আইন মন্ত্রণালয়ের ড্রাফটিং সচিব আরিফেট দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুরে ইসাহকের সারের দোকানে এ ঘটনাটি ঘটে।
অভিযুক্ত ফারুক ও মামুন বারইপাড়া খাঁপাঠা গ্রামের আব্দুর রহমান চিকুর ছেলে ও আইন মন্ত্রণালয়ের ড্রাফটিং সচিব আরিফুল ইসলাম আরিফের ভাই।
ইসাহক আলী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমি সুনামের সাথে সার ব্যবসা করি। আইন মন্ত্রণালয়ের ড্রাফটিং সচিব আরিফ মাঝে মধ্যেই কল করে, ভয় ভীতি দেখিয়ে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার আমার কাছ থেকে ক্রয় করতো। লোক মুখে শুনেছি সেই সার নিয়ে গিয়ে তার ভাই ফারুকের দোকানে বিক্রি করতো তারা। তার ভাই ফারুকের কীটনাশকের লাইসেন্স রয়েছে কিন্তু স্যার বিক্রির লাইসেন্স নেই।
সার বিক্রি লাইসেন্স না থাকলেও সচিবের দাপট দেখিয়ে সার বিক্রি করতো ফারুক। মাঝে মধ্যই আমার দোকানে এসে তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার নিয়ে যেত। আমি সার দিতে রাজি না হলে আমার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিত তারা।
অন্যদিনের ন্যায় আজকেও স্যার ক্রয় করতে আসে ফারুক। আমার দোকানে স্যার না থাকায় আমি তাকে সার দিতে পারিনি। তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমি সহ দোকানের কর্মচারীদের গালিগালাজ ও হুমকি দিতে থাকে। দোকান থেকে চলে যেতে বললে ফারুক কল করে ছোট ভাই মামুনকে ডেকে আনে দোকানে। মামুন দলবল সহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দোকানে ঢুকে মারপিট শুরু করে দেয়।
পরে ইট দিয়ে আমার দোকানের কর্মচারী মোজাহার মোল্লার নাকের উপর আঘাত করে মামুন।
দোকানটি থানার পাশেই হওয়ায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পুঠিয়া থানা পুলিশ উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দলবল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
কর্মচারী মোজাহার কে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ নিয়ে গেলে, আঘাত গুরুতর হয়ে রক্ত পড়া বন্ধ না হলে ডাক্তার তাকে রামেক হাসপাতালে রিলিজ করে। বর্তমানে সে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইদুর রহমান বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রকাশিত: মার্চ ২১, ২০২৪ | সময়: ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ