সর্বশেষ সংবাদ :

রাজশাহীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় এ উপলক্ষে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় জীবনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান তুলে ধরে আলোচনা করা হয়।
সভায় বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান আলোচক ছিলেন রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. অলিউল আলম। জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আনিসুর রহমান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুল মান্নান।
সভার শুরুতে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভা শেষে প্রধান অতিথি শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন। এর আগে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরের শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের পক্ষ থেকে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এদিকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১টায় সিএন্ডবি মোড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাসিকের কাউন্সিলরবৃন্দ। এরপর কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন পৃথকভাবে দিবসটি পালন করে।
রাবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত : রাবি প্রতিনিধি: যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

দিবসটি উপলক্ষে এদিন সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসন ভবনসহ অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত উত্তোলন করা হয়। সকাল ৮টায় রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকে এবং সকাল সাড়ে ৮টায় শহীদ মিনার ও বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দরা। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট, বিভাগ, আবাসিক হল ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ অন্যান্য সাংবাদিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলো শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সংস্কৃতায়ন’ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এদিন থেকে তিন দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্থির প্রামাণ্যচিত্র ও শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
এছাড়া এদিন সকাল সোয়া ৯টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যদের স্মৃতিচারণ ও স্মারক প্রদান এবং আলোচনা সভা। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন কমিটির সভাপতি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে এই আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ শিক্ষক মীর আব্দুল কাইয়ূমের স্ত্রী অধ্যাপক মাসতুরা খানম স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার ও বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. অবায়দুর রহমান প্রামানিক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মলয় কুমার ভৌমিক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে স্বাধীনতা পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করার চেষ্টা হয়েছে। এসময় ২০ হাজার বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।এটা হিটলারের যে হত্যাযজ্ঞ, ইহুদীদের যে হত্যাযজ্ঞ সেটাকেও ছাড়িয়ে যায়। ইতিহাসকে ধ্বংস করার জন্য তারা বুদ্ধিজীবীদের খুঁজে খুঁজে হত্যা করে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, আমাদের প্রিয় মানুষগুলো শহীদ হলেন কেন, তারা তো আরও বাঁচতে পারতেন। ওনারা আসলে দেশের জন্য আত্মাহুতি দিয়েছেন, দেশমাতৃকাকে রক্ষা করতে গিয়ে আত্মদান করেছেন। বঙ্গবন্ধু বুদ্ধিজীবীদের সবসময় শ্রদ্ধা করতেন। বাঙালি জাতির জন্য বুদ্ধিজীবীদের অবদান অনস্বীকার্য।
সভাপতির বক্তব্যে রাবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, আমাদের এই ভাষা, আমাদের এই দেশ, আমাদের জন্য বুদ্ধিজীবীদের অবদান কতখানি, স্বাধীনতায় তাদের ভূমিকা কতটা এই বিষয়ে আরো জ্ঞান চর্চা হওয়া উচিত। এগুলি ভালো করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত। শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন, এখনকার প্রজন্মকে সঠিক তথ্যটি জানানো আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ অধিকর্তা, ইনস্টিটিউট পরিচালক, বিভাগীয় সভাপতি, সিন্ডিকেট সদস্য, প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসকসহ বিশিষ্ট শিক্ষক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটির কর্মসূচিতে আরও ছিল বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা এবং সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক চত্বরে প্রদীপ প্রজ্জ্বালন ও সন্ধ্যা ৬টায় নাটক মঞ্চায়ন।
রুয়েট: রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি

বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয়েছে। রুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২.০১ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম মহান মুক্তিযুদ্ধে রুয়েটের শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। রুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পরপরই ছাত্রলীগ রুয়েট শাখার নেতৃবৃন্দ মহান মুক্তিযুদ্ধে রুয়েটের শহীদদের কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে।
এরপর শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন, শহীদদের কবর জিয়ারত করা এবং মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের প্রথম প্রহরের কর্মসূচি শেষ হয়।
এছাড়াও বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বাদ যোহর রুয়েট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আওয়ালের সভাপতিত্বে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরিফ আহম্মদ চৌধুরী সহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তর ও শাখা প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাসিক : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সকাল ১১টায় সিএন্ডবি মোড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাসিকের কাউন্সিলরবৃন্দ। এরপর কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদগণ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন সোনাদিঘী জামে মসজিদের হাফেজ মোঃ দেলোওয়ার হোসেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ নিযাম উল আযীম, প্যানেল মেয়র-২ ও ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন, প্যানেল মেয়র-৩ তাহেরা খাতুন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন, ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী সরদার, ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেলাল আহম্মেদ, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরমান আলী, ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলিফ আল মাহামুদ লুকেন, ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনির, ২৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল হাসান বাচ্চু, ২৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহের হোসেন সুজা, ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আলাউদ্দিন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর সেবুন নেসা, নাদিরা বেগম, মোসাঃ ফেরদৌসী, রাসিকের সচিব মোঃ মোবারক হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী নুর ইসলাম তুষার, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নুর-ই-সাঈদ, বাজেট কাম হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম সহ সকল বিভাগ ও শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, রাসিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ দুলাল শেখ, সাধারণ সম্পাদক আজমীর আহম্মেদ মামুন প্রমুখ।
মহানগর আওয়ামী লীগ : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের উদ্যোগে গতকাল বুধবার রাত ১১.৩০টায় কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি আলোর মিছিল বের হয়। আলোর মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। আলোর মিছিল শেষে ১৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২.০১ মিনিটে রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর সেখানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল এঁর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহ্সানুল হক পিন্টু। পথসভা শেষে শপথ বাক্য পাঠ করা হয়।
পথসভায় বক্তারা বলেন, আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, এক ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এই দিনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূণ্য করার উদ্দেশ্যে জাতির মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো। তাদের এই ঘৃণিত কাজে সহায়তা করেছিলো এ দেশীয় তাদের দোশর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামশরা। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। তাঁদের রেখে যাওয়া পথে আমরা আছি অবিচল।
বক্তারা আরো বলেন, ৭১এর পরাজিত ঘাতকেরা তথা বিএনপি-জামায়াত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড করছে। তারা এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথেই রুখে দিবো। বঙ্গবন্ধু’র আদর্শ ও শহীদদের আত্মবলিদানের ইতিহাস সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ স্মার্ট বাংলাদেশের পথে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি ডা. তবিবুর রহমান শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসলাম সরকার, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জিয়া হাসান আজাদ হিমেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামারউল্লাহ সরকার কামাল, কোষাধ্যক্ষ হাবিবুল্লাহ ডলার, সদস্য মোখলেশুর রহমান কচি, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, নগর শ্রমিক লীগ সভাপতি মাহাবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আকতার আলী, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমতউল্লাহ সেলিম, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবিন সবুজ প্রমুখ।
পবা উপজেলা: রাজশাহীর পবায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: ইয়াসিন আলী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সালেহ্ মোহাম্মদ হাসনাত এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোসা: আরজিয়া বেগম ও ওয়াজেদ আলী খাঁন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিত সরকার, পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নওহাটা পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার আসাদুজ্জামান, উপজেলা প্রকৌশলী মুকবুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মাননান, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মোতাহার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, উপ-দপ্তর সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, ছাত্রলীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম রাজু, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিমুল বিল্লাহ সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আবু বাশির প্রমুখ।
মান্দা: মান্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ইউএনওর সভা কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা আঞ্জুমান বানুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান এমদাদুল হক মোল্লা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির মুন্সী, মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বিজয় কুমার রায়, বীরমুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী মণ্ডল ও খোদাবক্স মিয়া, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেখ শাহ্ আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, মান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
পত্নীতলা: উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রোল্লাদ কুমার কুন্ডুর সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টুকটুক তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গাফ্ফার। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সরকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজুল কবির, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুনিরুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ রাহাত, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাতিজাতুল কোবরা মুক্তা, সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল ইসলাম, পত্নীতলা প্রেসক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বুলবুল চৌধুরী। এসময় উপস্থিত সকল কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, সূধীজন।
গোমস্তাপুর: এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেন এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমান, সাবেক সাংসদ গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, রহনপুর পৌর মেয়র মতিউর রহমান খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত আনজুম অনন্যা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস,গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিবুল হাসান, গোমস্তাপুর থানার ওসি চৌধুরী যোবায়ের আহমেদ, রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নাজমুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
লালপুর: উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আখতারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত আমান আজিজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন ঝুলফু, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ওয়াজেদ আলী মৃধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাঈম উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদত ইমাম রঞ্জু, অধ্যক্ষ বাবুল আকতার প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা মহিলা তথ্য কর্মকর্তা শুকরানা আশরাফি।
নিয়ামতপুর: নিয়ামতপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমতিয়াজ মোরশেদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা বেগম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মাহবুব উল আলম, নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিয়ামতপুর জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোসাদ্দেকুর রহমানসহ সরকারী দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
বাঘা: বাঘা উপজেলার নির্বাহী অফিসার তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নিরাবতা পালন ও দোয়া পরবর্তী সভায় বক্তব্য রাখেন বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড: লায়েব উদ্দিন লাভলু, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ জুয়েল আহাম্মেদ, বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল, আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল আলম, উপজেলা মৎস্য অফিসার সাহাদুল ইসলাম, বাঘা মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নছিম উদ্দিন, মনিগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বাঘা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান, শিক্ষক বাবুল ইসলাম।
বাগমারা: উপজেলা পরিষদের সন্মেলন কক্ষে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার উজ্বল হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আহসান হাবিব, চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আবদুল মুমীত প্রমূখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ আকতার বেবী, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব আল রানা সহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আরসিআরইউ’র: রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির (আরসিআরইউ) নেতৃবৃন্দ কলেজের শহীদ মিনারে এ শ্রদ্ধা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা. আব্দুল খালেক, সংগঠনের উপদেষ্টা ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আজমত আলী রকি, বাংলা বিভাগের প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল হাকিমের নেতৃত্বে সহ-সভাপতি আবু সাঈদ রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক সেহের আলী দুর্জয়, দপ্তর সম্পাদক সুজন হোসেন, সদস্য আল সাকিব, আব্দুল আলিম, সুইটি, পাপিয়া ঐশীসহ সহযোগী সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী কলেজ: দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজশাহী কলেজ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকমণ্ডলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মানে শহিদ মিনার ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ‘শহিদ বুদ্ধিজীবীগণের জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনা সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাঃ আব্দুল খালেক। মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাঃ ওলিউর রহমান ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। সভার মুখ্য আলোচক ছিলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মতিন।
অধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্যে বলেন- এদেশে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২৫ মার্চের কালো রাত থেকেই। বাংলাদেশ যেন কখনও মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে এজন্য পাকিস্তানিরা এদেশে তাদের দোসর আল-বদর, আল-সামসদের সহযোগিতায় বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করে ১৪ ডিসেম্বর নির্মমভাবে হত্যা করে। তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবীদের জীবন ও কর্মে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে উপস্থিত সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড: রাজশাহীর টি বাঁধ বধ্যভূমিতে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. অলীউল আলম সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ০১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনামুল হক, কলেজ পরিদর্শক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড রাজশাহী। আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব জনাব মো. হুমায়ূন কবীর এবং কলেজ পরিদর্শক জনাব মো. এনামুল হক। পরে বাদ আসর শিক্ষা বোর্ড জামে মসজিদে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের মূল ফটকের উভয় পাশে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।
বিএমডিএ: বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে বিএমডিএ প্রধান কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশীদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএমডিএ নির্বাহী প্রকৌশলী ও সাধারণ সম্পাদক আইইবি নাজমুল হুদা।
আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) অতি: প্রধান প্রকৌশলী শামসুল হোদা, অতি: প্রধান প্রকৌশলী ড.আবুল কাশেম, অতি:প্রধান প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম খান, বিএমডিএ সচিব যোবায়ের হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সমসের আলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিন্নুরুইন খান, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক রাহাত পারভেজ, বিএমডিএ কর্মচারী ইউনিয়ন রাজ-১৫০০ এর সাধারণ সম্পাদক মো. জীবন, রাজ৩০৪২ সিবিএ সভাপতি মেসবাউল হকসহ বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-ব্যবস্থাপক (কৃষি), মনিটরিং অফিসার ও সহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ। এদিকে বাদ যোহর বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জামে মসজিদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।


প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৩ | সময়: ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ