নজিপুরে বাস টার্মিনাল ও ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় যানযটে দুর্ভোগ

রুবেন্স চৌধুরী, পত্নীতলা: নওগাঁ জেলার অতিগুরুত্বপূর্ণ পত্নীতলা উপজেলা সদর নজিপুরে নির্দিষ্ট কোন বাস টার্মিনাল, যাত্রী ছাউনি ও ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় যানযটে যাত্রী দূর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে।
এদিকে সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়ক প্রসস্তকরণ কাজ আরম্ভ করলেও নজিপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকাসহ সড়ক ও জনপথের বেদখলকৃত যায়গাগুলো উদ্ধারের কোন পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
দেশের উদ্বৃত্ত ধান উৎপাদন এলাকা হিসাবে বিবেচিত নওগাঁ জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা পত্নীতলা সদর নজিপুরের উপর দিয়ে প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ পোরশা, সাপাহার, ধামইরহাট ও পত্নীতলার কয়েক হাজার যানবাহন দিবারাত্রী চলাচল করে। এবাদেও উওরাঞ্চলের পঞ্চগড় দিনাজপুর থেকে রাজশাহী-নবাবগঞ্জের সাথে অতি সংক্ষেপে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা পত্নীতলার নজিপুরের উপর দিয়েই।
নজিপুর চারমাথা গোলচত্বর এলাকায় সড়ক ও জনপথের বিশাল যায়গা থাকলেও ঐ যায়গাগুলো অবৈধ ভাবে দখল হয়ে থাকায় স্থানীয় বাস ও ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার দুর পাল্লার গাড়ীগুলি নজিপুর চারমাথা গোলচত্বরে এসে সড়কের উপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় এবং ব্যাটারী চালিত রিক্সা-ভ্যান, সিএনজি সড়কের উপর যত্রতত্র ভাবে দাড়িয়ে থাকায় দিন দিনই নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে যানযট বেড়েই চলেছে।
পাশাপাশি নজিপুর চারমাথা গোলচত্বর এলাকায় গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালামাল সড়কের উপর রেখে মালামাল লোড-আনলোড করা সহ বাসা-বাড়ির নির্মাণ সামগ্রী সড়কের উপর রেখে কাজ করায় জন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ জনগণ মনে করছেন সড়ক প্রসস্তকরণ করা হলেও এই দুর্ভোগ কোনভাবেই কমবে না।
নওগাঁর সাথে সাপাহার, পোরশা, ধামইরহাট, পত্নীতলার লোকাল বাস চলাচলের পাশাপাশি ঢাকার কোচগুলি এসে নজিপুর চারমাথা গোলচত্বরে যখন যাত্রী ওঠা নামা করায় সেসময় উক্ত এলাকায় যানযটের সৃস্টি হয়ে যায়।
আর এই যানযট নিরসনে একটি বাস টার্মিনাল ও যাত্রী ছাউনি স্থাপন এবং জরুরী ভিত্তিতে ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ অতিব প্রয়োজন বলে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন দাবী জানিয়েও এখনোও পর্যন্ত তার ব্যবস্থা হয় নাই।
অতিসত্বর নজিপুর চারমাথা গোলচত্বরের যানযট নিরসনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।


প্রকাশিত: নভেম্বর ২০, ২০২৩ | সময়: ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ

আরও খবর