সর্বশেষ সংবাদ :

জয়পুরহাটে নৌকা প্রত্যাশী এস এম সোলায়মান আলী

মতলুব হোসেন, জয়পুরহাট: আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা এস এম সোলায়মান আলী।
আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে যে উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছেন সেই উন্নয়নের কথা তুলে ধরে এবং আগামীতে নৌকায় ভোট চেয়ে প্রায় প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী এলাকা জয়পুরহাট ও পাঁচবিবিতে ব্যাপক গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
জানা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে গত দেড় বছর যাবত এস এম সোলায়মান আলী জয়পুরহাট জেলার ১৭ টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভার প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রামে গণসংযোগ, পথসভা, কর্মীসভা, খুলি বৈঠক সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে জনসভা করে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরা সহ নৌকায় ভোট প্রার্থনা অব্যাহত রেখেছেন।
জয়পুরহাট সদর উপজেলার পৌরসভা এলাকা সহ জামালপুর ইউনিয়ন, মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন, ভাদসা ইউনিয়ন, দোগাছি ইউনিয়ন, চকবরকত ইউনিয়ন, ধলাহার ইউনিয়ন, পুরানাপৈল ইউনিয়ন, আমদই ইউনিয়ন, বম্বু ইউনিয়ন এবং পাঁচবিবি উপজেলার পৌরসভা এলাকা, বাগজানা ইউনিয়ন, ধরঞ্জী ইউনিয়ন, আয়মা রসুলপুর ইউনিয়ন, বালিঘাটা ইউনিয়ন, আটাপুর ইউনিয়ন, কুসুম্বা ইউনিয়ন, আওলাই ইউনিয়ন, মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে আওয়ামী লীগের তৃণমুল নেতাকর্মী সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সহ যেসব মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে রয়েছেন তাদের মধ্যে এস এম, সোলায়মান আলীর জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি রয়েছে।
এসব এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমুল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপকালে তারা জানান, আমাদের রাজনীতি শুরু জয়পুরহাটের এস এম সোলায়মান আলীর হাত ধরে। আগামীতে এ আসনে তার কোন বিকল্প নেই। একই কথা বলেন বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগনও।
তারা বলেন এস এম সোলায়মান আলী কর্মীবান্ধব ও জনবান্ধব নেতা, তার রয়েছে ব্যাপক জনসমর্থন, তিনি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কা পেলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে এলাকার নেতাকর্মীরা অভিমত ব্যক্ত করেন।
এস এম সোলায়মান আলী বলেন, আমি ১৯৭৪ সাল থেকে রাজনীতি করি, তখন বগুড়া আজিজুল হক কলেজে ছাত্র অবস্থায় কলেজ কমিটির সদস্য হই, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করার জন্য জয়পুরহাট, বগুড়া সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা উপজেলা পর্যায়ে কাজ করি, ১৯৭৫ সালে ১৭ আগস্ট সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হই, ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের হ্যা এবং না ভোটে না ভোটের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করি, ১৯৭৯ সালে জহুরুল হক হলে কমিটির সদস্য এবং সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করি, ১৯৮১ সাল হইতে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলাম, ১৯৮৩ সাল হইতে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য ছিলাম, ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতীয় কার্যকরী সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয় স¤পাদক ছিলাম, ১৯৮৯ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় কার্যকরী সংসদের সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছি, ১৯৯২ সালে সামরিক শাসন জারির পর থেকে এরশাদ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছি, ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ত্রাণ উপকমিটির সদস্য এবং জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হই, ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি, ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছি, ২০০৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সফলভাবে জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছর সাধারণ স¤পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি, ২০০১ সালে বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দলকে সুসংগঠিত করা সহ প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে, ইউনিয়নে ও উপজেলা পর্যায়ে, সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করে খালেদা জিয়া বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা সহ দুঃখ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশে এবং সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানোর সহ তাদের দুর্দিনে সহযোগিতা করেছি, ২০০৬ সালে ১-১১ এর সময়ে দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হলে জয়পুরহাট জেলার ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ পাঁচটি বছর নিষ্ঠা, সততার সাথে সফলভাবে জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছি।
২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি, বর্তমানে জয়পুরহাট খবরের স¤পাদক ও প্রকাশক, জয়পুরহাট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, এবং সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মধ্য দিয়ে আগামীতে যদি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করার সুযোগ দেয় তাহলে আমি জয়পুরহাট-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো ইনশাল্লাহ।
এছাড়াও তিনি বলেন, জয়পুরহাটে গ্রুপিং এর রাজনীতির মধ্যেও আমার সহধর্মিনী সাবিনা চৌধুরী জয়পুরহাট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদিকা নির্বাচিত হন এবং জয়পুরহাট জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন, তাকে সঙ্গে নিয়ে জয়পুরহাট জেলার মহিলা আওয়ামী লীগকে ও সুসংগঠিত করা সহ সরকারের উন্নয়ন বাত্রা এবং শেখ হাসিনার নৌকায় ভোট চাওয়া সহ ব্যাপক কাজ করছেন সাবিনা চৌধুরী।


প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০২৩ | সময়: ৫:১১ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ