সর্বশেষ সংবাদ :

বৃষ্টির বাগড়ায় কিছুটা কমেছে গরু-ছাগলের দাম

স্টাফ রিপোর্টার : ঈদের এক দিন আগেই রাজশাহীর সিটিহাটে গরুর দাম কিছুটা কমেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টির কারণে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় এই পশুর হাটের স্বাভাবিক ছন্দে ছেদ পড়ে। বৃষ্টির কারণে হাট জমজমাট না হওয়ায় কিছুটা কম দামেই গরু বিক্রি হয়েছে।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম দফা বৃষ্টি হয় রাজশাহীতে। এতে কাদাপানিতে ভরে যায় সিটিহাট। দুপুর সাড়ে ১২টা এবং দেড়টার দিকে আরও দুই দফা বৃষ্টি হয়। এতে ক্রেতারা ছন্নছাড়া হয়ে যান। এমন পরিস্থিতিতে গরুর দাম কিছুটা কমে যায়। তবে হাটে গরুর তুলনায় ক্রেতার সংখ্যাই বেশি দেখা যায়। আশপাশে আরও অনেক পশুর হাট বসার কারণে সিটিহাটে এদিন গরু কম তোলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
হাটে গরু কিনতে এসেছিলেন রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান উত্তরপাড়া মহল্লার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ঈদ চলেই এল। এখন আর কোরবানির গরু কেনায় দেরি করা যাবে না। এ জন্য বৃষ্টি হলেও হাটে এসেছি। কাদাপানির জন্য খুব বেশি ঘোরাফেরা করা যাচ্ছে না। হাটের খুব বেশি ভেতরে না ঢুকে বাইরে থেকেই একটা গরু কিনে নিয়ে যাব।’
পবার তিলাহারি গ্রাম থেকে একটি গরু এনেছিলেন ব্যবসায়ী আবুল কাশেম। বৃষ্টির আগে মাঝারি আকারের এই গরুটির দাম হাঁকছিলেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। বৃষ্টির পর দুপুরে তিনি গরুটি বিক্রি করেন ৯০ হাজার টাকায়। আগের দিনও এই হাটে এ রকম আকারের একটি গরু ১ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সাইফুল বলেন, ‘বৃষ্টিতে বিক্রি হবে কি না সেই চিন্তা মাথায় ঢুকে গেছে। তাই আর ধরে রাখলাম না। নব্বই হাজারে দিয়ে দিলাম। লাভ খুব অল্প হবে।’
এবার এই হাটে ভারতীয় গরু চোখে পড়েনি। খুব বেশিসংখ্যক মহিষও ওঠেনি। তবে মঙ্গলবার হাটে প্রচুর ছাগল তোলা হয়েছিল। সিটিহাটের পাশাপাশি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরেও পশুর হাট বসে। তাই সিটিহাটে এদিন গরু ওঠে কম। দূর-দূরান্তের ব্যাপারীদেরও আনাগোনা ছিল কম। তবে আগামীকাল বুধবার সিটিহাট জমজমাট থাকবে।
হাটের ইজারাদারদের একজন ফারুক হোসেন ডাবলু বলেন, ‘দূরের ব্যাপারীদের গরু নিয়ে যাওয়া শেষ। এখন শুধু স্থানীয় লোকজনই কোরবানির জন্য গরু কিনছেন। আজ বৃষ্টির জন্য হাট সেভাবে জমে ওঠেনি। দামও কিছুটা কম দেখা গেছে। তবে আগামীকাল হাট জমজমাট থাকবে বলেই আশা করছি।’


প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৩ | সময়: ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ