রাজনীতির মাঠ দখলে ৪ নির্দেশনা দিয়ে তৃণমূলে আ.লীগের চিঠি

সানশাইন ডেস্ক : রাজপথের বিরোধীদল খ্যাত বিএনপি নানান কর্মসূচি দিলেও মাঠ দখলে থাকছে আওয়ামী লীগের। রাজনৈতিক মাঠে বিএনপিকে জায়গা দিতে নারাজ ক্ষমতাসীনরা। আগামী নির্বাচন সামনে রেখে এটাই আওয়ামী লীগের কৌশল। সংসদ ও সরকারের মতো রাজপথও নিজেদের দখলে রাখবে। এজন্য এরই মধ্যে জেলা কমিটিকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।
১১ ফেব্রুয়ারি ছিল সারাদেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির পদযাত্রা। আওয়ামী লীগও একই দিনে ইউনিয়ন পর্যায়ে শান্তি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে। দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব দিয়ে এই কর্মসূচি সফল করারও নির্দেশ দেওয়া হয়। এমনকি জেলা কমিটিগুলো নিয়ে চিঠিও দেওয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। সেখানে তারা উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বছরব্যাপী সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।’
তৃণমূলে আওয়ামী লীগের চিঠি : সম্প্রতি তৃণমূলে চিঠি পাঠাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত ও সভাপতির নির্দেশ সম্বলিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বছরব্যাপী সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। বছরব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ শনিবার সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি-জামায়াত অশুভশক্তির সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে ‘শান্তি সমাবেশ’ আয়োজন; পাশাপাশি ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মার্চ মাসব্যাপী বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি গ্রহণের সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাদের নিম্ন লিখিত নির্দেশাবলি পালনের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’’
সাংগঠনিক নির্দেশনা : ১. ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ শনিবার সারাদেশে বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘শান্তি সমাবেশ’ আয়োজন।
২. ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সারাদেশে প্রভাতফেরি, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনাসহ বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি গ্রহণ।
৩. ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস পালন, ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ।
৪. সারাদেশে ‘সদস্য সংগ্রহ অভিযান’ জোরদার করা এবং যে সব সাংগঠনিক জেলা ও উপজেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্রুত সে সব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা। মেয়াদোত্তীর্ণ সাংগঠনিক উপজেলা/থানা/পৌর/ইউনিয়ন/ওয়ার্ড ও ইউনিটের সম্মেলন সম্পন্ন করা।


প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৩ | সময়: ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ