সর্বশেষ সংবাদ :

রাজশাহীতে ফের শৈত্যপ্রবাহ, বেড়েছে দুর্ভোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

রাজশাহীতে আবারও নেমেছে তাপমাত্রার পারদ। শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। ফলে তীব্র ঠাণ্ডায় আবারও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজশাহীর জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় রাজশাহীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে আট দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ আবারও রাজশাহীর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

 

 

মাঝখানে সামান্য বিরতি দিয়ে চলতি মৌসুমে পঞ্চমবারের মত শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলো পদ্মা পাড়ের এ মহানগর ও আশপাশের অঞ্চলে। টানা শৈত্যপ্রবাহের এ ধকল কাটিয়ে উঠতে পারছেন না রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ। শীতের দাপট বাড়ায় বেড়েছে দুর্ভোগও। মঙ্গলবার সকালে সূর্যের মুখ দেখা গেলেও ছিল না কোনো উষ্ণতা। ভোরে ও গত সোমবার সন্ধ্যায়ও ছিল ঘন কুয়াশার দাপট। ফলে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৈরি আবহাওয়া বিপাকে পড়েছেন খেটে-খাওয়া, ছিন্নমূল মানুষেরা। মাঘ মাসের শীতের এ তীব্রতায় একেবারেই জবুথবু হয়ে পড়েছেন তারা। এদিকে দেশের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত এ রাজশাহী অঞ্চলের কৃষিতেও পড়তে শুরু করেছে বিরূপ প্রভাব। তীব্র ঠাণ্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিভিন্ন উপজেলায় থাকা বোরোর বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। আলুর ক্ষেতে লেট ব্লাইট রোগ দেখা দিচ্ছে। আক্রান্ত এসব আলুর গাছ দ্রুত পচে যাচ্ছে। রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন জানান, এ অবস্থা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা এবার আরও কমতে পারে।

 

 

 

 

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৬ ডিসেম্বরের পর থেকে এ নিয়ে রাজশাহী অঞ্চলে পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ এসেছে। এর মধ্যে একটি মাঝারি ও চারটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। সর্বপ্রথম গত ১৬ ডিসেম্বর রাজশাহীতে নয় দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তারপর নতুন বছর শুরু হয় ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা দিয়ে। গত ১৫ জানুয়ারি রাজশাহীতে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ওই দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২৫ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) সেই তাপমাত্রা আবারও আট দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এলো।

 

 

 

 

 

সানশাইন/টিএ


প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৭, ২০২৩ | সময়: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ | Daily Sunshine