নিয়ামতপুরে সাংবাদিকের উপর হামলা, আট দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ

নিয়ামতপুর প্রতিনিধি: নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনি আহম্মেদ সংবাদ প্রকাশের জের ধরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হবার ৮ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। গত ৪ ডিসেম্বর রাতে হামলা করে তাকে বেধড়ক মারপিট করে উপজেলার আইডিয়াল স্কুলের একাংশের কর্তৃপক্ষ। সাংবাদিক জনি আহম্মেদ দৈনিক ইত্তেফাক ও উত্তরা প্রতিদিনের প্রতিনিধি নিয়ামতপুর প্রতিনিধি।
নিয়ামতপুর আইডিয়াল স্কুলের ভূয়া তথ্য দিয়ে প্রচার প্রচারণা করার একটি সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় ঐ স্কুলের এক অংশের মালিক রাজু, প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ও সহকারী শিক্ষক হুমায়ন কবির রাতের অন্ধকারে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনি আহমেদর বাড়ীতে গিয়ে বাইরে ডেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, এক পর্যায়ে বেধড়ক মারপিট করে। পরে এলাকাবাসীর এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরদিন ৫ ডিসেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দালে কারলেও আজ পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমরা তো আর তাদের মতো সন্ত্রাসী হতে পারি না। বা সম্ভবও না। তাই আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আইনের কাছে শ্মরণাপন্ন হয়েছি। কিন্তু অভিযোগ দেওয়ার ৮ দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ সামান্যতম পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। আমরা এমনটি আশা করিনি।
উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনি আহমেদ বলেন, আইডিয়াল স্কুলের মালিক রাজু আহমেদ, প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ও সহকারী শিক্ষক হুমায়ন কবির সন্ত্রাসী রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দার আমাকে বাড়ী থেকে ডেকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। আমার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। তাদের কর্মকান্ডে কিছু ভিডিও আমি রেখেছি। সব কিছু পুলিশ প্রশাসনকে জানানোর পরও তারা এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি।
এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, কোন সময় ক্ষেপন হয়নি। আমি উভয় পক্ষকে বলেছি, যেহেতু বিষয়টি নিজেদের মধ্যে তাই বসে সমাধান করা যায়। তারা যদি মিমাংসা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমাকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।


প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২২ | সময়: ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ

আরও খবর