বাঘায় প্রান্তিক মানুষের সুবিধার্থে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী (ওএমএস)এর উদ্বোধন

নুরুজ্জামান,বাঘা : শেখ হাসিনার বাংলাদেশ-ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ, প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে প্রান্তিক মানুষের সুবিধার্থে আজ দেশব্যাপী স্বল্প মুল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে(ওএমএস)এর চাল। সেই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আখতার বৃহস্পতিবার সকালে বাঘা পৌর সভার অধিনস্থ কাওসার নামে একজন (ওএমএস) ডিলারের ঘরে উপস্থিত হয়ে সরকার ঘোষিত এই কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেছেন।

সকাল ৯ টায় উক্ত কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও রাজশাহী জেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এড: লায়েব উদ্দিন লাভলু। তিনি উপকার ভোগিদের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান সরকার সব সময় গরিব দুখিদের নিয়ে চিন্তা করেন। আর এই চিন্তার জায়গা থেকে সারা দেশে ১০ টাকা কেজি চালের পাশা-পাশি টিসিবি পন্য এবং সর্বশেষ স্বল্প মূল্যে (ওএমএস)এর মাধ্যমে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

তিনি বলেন, এখন বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারনে সকল দেশে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে।সেই তুলনায় বাংলাদেশে কিছুটা বেড়েছে। তাই স্বল্পমুল্যে তৃণমুল পর্যায়ের মানুষের মাঝে সরকার চাল দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য তিনি সকল উপকার ভোগিদের কাছে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর জন্য দোয়া কামনা করেন।

আলোচনা সভায় নির্বাহী অফিসার বলেন, খাদ্য শস্যের বাজার মূল্যের উর্ধ্বগতির প্রবনতা রোধ, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে মুল্য সহায়তা দেয়া এবং বাজার দর স্থিতিশীল রাখার লক্ষে সারাদেশে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী চাল খোলা বাজারে বিক্রি (ওএমএস) কার্যক্রম ব্যাপক ভাবে বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন সরকার। ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে সরকার এ সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, জাতীর পিতা ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখে ছিলেন। আজ তাঁর সুযোগ্য কন্যা সেই দায়িত্ব সৎ ও নিষ্ঠার সাথে বাস্তবায়ন করচেন। এ জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ ।

বাঘা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা শামসুন্নাহার নাহার বলেন, সরকার প্রদত্ব এই সুবিধার মধ্যে পড়েছে উপজেলার দু’টি পৌর সভা বাঘা ও আড়ানী। এ দিক থেকে বাঘায় মোট পাঁচজন ডিলার এবং আড়ানী পৌর সভায় তিনজন ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস সুবিধা পাবে শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ। এদিক থেকে কোন ডিলারের মাধ্যমে যাতে কোন প্রকার অনিয়ম না হয়, সে জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রত্যেক ডিলারের কাছে রেখেছেন একজন করে ট্যাগ অফিসার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক ডিলার বিগত সময়ে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বেলা ৩ টা পর্যন্ত একটন চাল এবং একটন আটা বিক্রী করেছেন । এ ক্ষেত্রে চালের মূল্য ধরা হয়েছে ছিলো ৩০ টাকা কেজি, প্রক্ষান্তরে আটার মূল্য ছিলো ১৮ টাকা কেজি। যা এবারও বলবদ থাকবে। তবে এই মুহুর্তে আটার সল্পতা থাকার কারনে প্রত্যেক ডিলারের মাঝে সরবরাহ করা হবে দুই টন চাল।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাঘা উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি জুয়ের আহাম্মেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান যথাক্রমে আব্দুল মোকাদ্দেস ও রিজিয়া আজিজ সরকার,বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ তদন্ত আব্দুল করিম এবং ওসি এলএসডি জবিউর রহমান।


প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ | সময়: ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ | সানশাইন