বাঘায় শেখ কামালের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উৎযাপন

বাঘা প্রতিনিধিঃ

দেশব্যাপী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামালের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উৎযাপন করা হচ্ছে । সেই ধারাবাহিকতায় রাহশাহীর বাঘা উপজেলা প্রশাসন বেশ কিছু কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন।  সকালে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন শেষে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এক দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

সকাল সাড়ে ৯ টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করেন বাঘা উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামীলীগ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাঘা প্রেসক্লাব-সহ সমাজিক,সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ।

 

এরপর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইমরান আলীর সঞ্চালনা ও নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল। বাঘা মোজাহার হোসেন মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নছিম উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবির, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মীর মোহাম্মদ মামুনুর রহমান ,বাঘা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল লতিফ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান।

 

উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান, সমাজসেবা অফিসার নাফিজ শরিফ, উপজেলা প্রকৌশালী রতন কুমার ফোজদার ও বাঘা পৌর সভার প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান পিন্ট-সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুশীল সমাজের নেত্রীবৃন্দ।

 

সভায় বক্তারা বলেন, আজ ৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী । ১৯৪৯ সালের এ দিনে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। অত:পর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে মাত্র ২৬ বছর বয়সে তাকেও ঘাতকরা হত্যা করে।

 

বক্তারা আরো বলেন, শেখ কামাল ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত ভূমিকা পালন করেন । তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর শেখ কামাল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম উৎসমুখ ‘ছায়ানট’।

 

সানশাইন/তৈয়ব


প্রকাশিত: আগস্ট ৫, ২০২২ | সময়: ৮:৩১ অপরাহ্ণ | Daily Sunshine