পুঠিয়ায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চলছে অবৈধ পুকুর খনন

স্টাফ রিপোর্টার : সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ফসলি কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে পুকুর খনন করছে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের সড়গাছির বিলে। প্রায় ৪০ বিঘা ফসলি কৃষি জমিতে তিন-চারটি ভেকু মেশিন দিয়ে দিনরাত অবৈধভাবে পুকুর খননের কাজ চলছে।
আসাদুল ইসলাম নামের এক প্রভাবশালী এই পুকুর খনন করছেন। তিনি বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা। ক্ষমতাশীল দলের স্থানীয় কিছু নেতার মাধ্যমে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এই অবৈধ পুকুর খনন করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় কৃষকদের।
তারা জানান, উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে দিন-রাত চলছে এই অবৈধভাবে পুকুর খননের কাজ। উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের সড়গাছি মৌজায় ৪০ বিঘা ফসলি জমিতে খনন করা হচ্ছে এই পুকুর। ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের কারণে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে তাদের ফসলি কৃষি জমি। এসব অবৈধ পুকুর খননের কারণে এবার পুরো বিলেই জমে যাচ্ছে পানি। পুকুর খননের কারণে পানি নিষ্কাশনের কোন পথ না থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে নষ্ট হচ্ছে পান বরজসহ বিভিন্ন ধরণের ফসল।
ভক্তভোগি কৃষকরা বলেন, বর্তমানে আমাদের দুঃখ দুর্দশার কারণই হল ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খনন। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে জোর দাবি খুব দ্রুত এসব অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে কৃষি নির্ভরশীল কৃষক পরিবারগুলো পুরোপুরি বেকার হয়ে পড়বে।
পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ জানান, এই পুকুর খননের বিষয়টি একটু আপনি ওসি সাহেবকে জানান।
এই অবৈধ পুকুর খনন বিষয়ে পুঠিয়া থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এখনি পুকুর খনন বিষয়ে উপজেলাতে মিটিং করে এইমাত্র আমি থানায় ফিরলাম। এই অবৈধ খননের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।


প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২২ | সময়: ৩:১৮ পূর্বাহ্ণ | সুমন শেখ