Daily Sunshine

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ ও এনটিআরসিএর অদক্ষ পরিকল্পনা

আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় মানসম্মত শিক্ষাদান না হওয়ার অনেক কারণের মধ্যে একটি হচ্ছে শিক্ষক সংকট ও অদক্ষ শিক্ষক। এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম। শিক্ষা খাতকে অরাজক পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করতে তথা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০০৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনটিআরসিএ। পরবর্তী সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির পরিবর্তে ন্যস্ত করা হয় এনটিআরসিএর কাছে। কিন্তু চাকরিপ্রার্থীরা এনটিআরসিএর গাফিলতি ও অদক্ষ নিয়োগ পরিকল্পনার ফাঁদে পড়ে দিশেহারা এবং আশাহত।

দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রায় ৪০ হাজার শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আবেদনের কথা বলা হয়েছে। প্রাপ্ত আবেদনগুলো জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে বাছাই করে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হবে। এখানেই গোড়ায় গলদ করে বসে আছে এনটিআরসিএ। প্রথমত, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আবেদনের পদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, নিয়োগপ্রাপ্তির জন্য একজন প্রার্থীকে অসংখ্যবার আবেদন করতে হবে, যেখানে প্রতিটি আবেদনের বিপরীতে জমা দিতে হবে ১৮০ টাকা। এনটিআরসিএর এ ধরনের পদক্ষেপ মোটা অংকের ফি আদায়ের ফাঁদ ছাড়া আর কিছু নয় বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের। এর ফলে আবেদনকারীদের মোটা অংকের ফি পরিশোধ করতে হবে, অন্যদিকে মেধাতালিকায় এগিয়ে থেকেও শুধু আবেদনের সুযোগ না পেয়ে নিয়োগবঞ্চিত হবেন অনেক চাকরিপ্রার্থী। আর প্রতিষ্ঠানগুলো, সর্বোপরি শিক্ষার্থীরা উপযুক্ত শিক্ষকদের শিক্ষাদান থেকে বঞ্চিত হবে।

২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত একটি বিশেষ পরীক্ষাসহ মোট ১৫টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এনটিআরসিএ দেড় শতাধিক মামলায় পড়েছিল। পরে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব চাকরিপ্রার্থীর একটি সম্মিলিত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। উত্তীর্ণদের যাদের বয়স ৩৫-এর মধ্যে আছে, তারাই শুধু আবেদন করতে পারছেন। এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সব পরীক্ষা অভিন্ন পদ্ধতিতে এবং অভিন্ন নীতিমালায় অনুষ্ঠিত হয়নি। কখনো সারা দেশে শূন্য পদসাপেক্ষে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল, কখনো বলা হয়েছিল উপজেলাভিত্তিক শূন্য পদসাপেক্ষে। ফলে কখনো কেউ কম নম্বর পেয়েও উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, কখনো অনেক নম্বর পেয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরীক্ষা পদ্ধতিতেও ছিল ভিন্নতা। ১৫টি পরীক্ষায় কখনো শুধু লিখিত পরীক্ষা হয়েছে, কখনো প্রাথমিক বাছাই, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিনটিই হয়েছে। কোনো নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করানো হয়েছে অনেক, কখনো সামান্যই। কোনো বছর পাসের হার ছিল ৫২ শতাংশ, কোনো বছর তারও কম। এসব কারণে প্রার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। মোটামুটি একটি লেজেগোবরে অবস্থা।

এনটিআরসিএ এমপিও, নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে অভিন্ন আবেদন গ্রহণ করছে। বিনা বেতনে চাকরি এবং বেতনের চাকরি, এ দুটি কখনই এক হতে পারে না। যতটি পদ শূন্য আছে, ততটি পদের জন্য আলাদা আবেদন করার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। উত্তীর্ণ প্রার্থী যত পদের জন্য আবেদন করবেন, তত পদের জন্য প্রার্থীকে বিবেচনা করা হবে। একেকটি পদের বিপরীতে আবেদনকৃত ব্যক্তিদের মেধাক্রম বিচার করে নিয়োগের সুপারিশ করবে এনটিআরসিএ। উত্তীর্ণ প্রার্থীরা যতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে উল্লেখ করবেন, তাকে প্রতিটির জন্য ১৮০ টাকা ফি দিতে হবে। যদি তিনি কোনো দোকান থেকে কাজটি করাতে চান, তাহলে প্রতিটি আবেদনের জন্য আরো ৩০-৪০ টাকা দিতে হবে। অথচ নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য প্রত্যেক পরীক্ষার্থী একবার ৩৫০ টাকা ফি প্রদানসাপেক্ষে আবেদন করেছিলেন। এরপর তাদের প্রাথমিক বাছাই, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারা এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের কাছ থেকে পছন্দক্রম চাওয়া হয়েছে। এ পছন্দক্রম অনুযায়ী কাজ করার জন্য এ প্রতিষ্ঠানের ১ টাকাও অতিরিক্ত খরচ করার প্রয়োজন নেই। তার পরও এ ফি ধার্য করাটা বেকারদের ওপর জুলুম। দেশের সব চাকরিতে বেকারদের বিনা টাকায় আবেদন করার সুযোগটাই এখন জরুরি হয়েছে, তা না হলে সামাজিক সমস্যা আরো বেড়ে যাবে।

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া একজন বেকারকে রীতিমতো লটারির টিকিট কিনে ভাগ্য যাচাইয়ের মতো অবস্থায় ফেলা হয়েছে। একজন চাকরিপ্রার্থী পছন্দক্রমে ৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করলে প্রয়োজন হবে ৮ হাজার ৮০০ টাকা। আমাদের দেশে একজন বেকার চাকরিপ্রার্থীর পক্ষে কি এত টাকা দিয়ে চাকরির আবেদন করা সম্ভব? তাছাড়া একজন প্রার্থী কি মাসের পর মাস এখান থেকে ওখানে ইন্টারভিউর জন্য ছোটাছুটি করবেন? একই দিনে তো দু-তিনটি ইন্টরভিউর তারিখও পড়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে, সেক্ষেত্রে তার আর্থিক ক্ষতি আরো বেড়ে যাবে। এ কেমন অদ্ভুত নিয়ম! নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের কাছ থেকে টাকা কিংবা পছন্দক্রম কোনোটি নেয়ার প্রয়োজন ছিল না। প্রথমে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ফল মেধাক্রম অনুযায়ী প্রকাশ করতে পারত এনটিআরসিএ। এতে যে পদগুলো শূন্য থাকত, সেই অবশিষ্ট পদে নিয়োগের জন্য আবারো নতুন শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করত। এভাবে যখন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগ শেষ হতো, তখন একইভাবে নন-এমপিও পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যেত।

পাবলিক সার্ভিস কমিশন এক আবেদনে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাডারে, নন-ক্যাডারে, এমনকি মাধ্যমিক-প্রাথমিক বিদ্যালয়েও নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। পিএসসি যদি এক আবেদনে হাজার হাজার পদ উন্মুক্ত রাখতে পারে প্রতিযোগিতার জন্য, তাহলে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য আলাদা আবেদন করা এক ধরনের প্রহসন নয় কি? শিক্ষকতায় যারা আসবেন, তাদের সঙ্গে এ রকম আচরণ কেন? ধরা যাক, গণিত বিভাগের একজন প্রার্থী দেশের যেকোনো এলাকায় চাকরি করতে চান। পদ আছে এ বিভাগে ৬০০, তার মেধাক্রম ৬০০তম। তিনি কি তাহলে ৬০০টি প্রতিষ্ঠানের জন্য আবেদন করবেন? এটি তো কোনো যুক্তির কথা নয়। সিস্টেম আরো সহজ করতে হবে। এনটিআরসিএ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ৩৯ হাজার ৫৩৫টি পদে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধনধারীদের কাছ থেকে পছন্দক্রম ঠিক করে আবেদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আবেদন জমা পড়ে প্রায় ৩১ লাখ। প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রায় ৭৮টি আবেদন। সে হিসাবে এনটিআরসিএ প্রায় ৫৬ কোটি টাকা আয় করেছে। এনটিআরসিএকে তো টাকা উপার্জন করার জন্য তৈরি করা হয়নি। এ প্রতিষ্ঠান বানানো হয়েছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় যোগ্য ও উপযুক্ত শিক্ষক বাছাই করা, নিয়োগ প্রদান করার জন্য, যাতে তথাকথিত ম্যানেজিং কমিটি অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে না পারে।

স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষকতা পেশায় নিয়োগ পেতে এখন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয়। আবেদনকারীদের এ যোগ্যতা রয়েছে। আবার এটাও মনে রাখতে হবে, বেতন ও অন্যান্য সুবিধা যথেষ্ট আকর্ষণীয় না হওয়ায় অনেকেই শিক্ষকতা পেশায় আসতে উৎসাহবোধ করেন না। তারপর উচ্চশিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা শিক্ষকতায় আসতে চাইছেন। বিকল্প থাকলে এমনটি ঘটত কিনা, সে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। উচ্চশিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সমস্যা কত প্রকট, সেটি আরো অনেক তথ্যে স্পষ্ট হয়। যেমন ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ৩৭তম বিসিএসের যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, তাতে অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার প্রার্থী। ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছিলেন আরো বেশি, প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার। ৪০তম বিসিএসের জন্য আবেদনকারী ৪ লাখ ১২ হাজারেরও বেশি। এ থেকে নিয়োগ পাবেন মাত্র ১ হাজার ৯০৩ জন। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পেতে উচ্চশিক্ষাপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে আগ্রহ প্রবল। সাম্প্রতিক সময়ে এসব পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন এবং অন্যান্য সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই অন্য পেশার কর্মকর্তাদেরও দেখা যায় বিসিএস পরীক্ষা দিতে। কিন্তু বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের সাম্প্রতিক যে সূচক, তা থেকে আমরা বলতে পারি ভালো চাকরির সুযোগ ক্রমে বাড়ছে। কিন্তু শিক্ষার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পর্যাপ্ত পদ তো থাকতে হবে। সেটা যে নেই, তা অনেক তথ্য থেকে আমরা বুঝতে পারি। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শকের মাত্র নয়টি শূন্য পদে আবেদন জমা পড়ে ৭৮ হাজারেরও বেশি। খাদ্য অধিদপ্তরের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১ হাজার ১৮২টি।

এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার শূন্য পদে শুধু মেধাতালিকার ক্রমানুসারে নিয়োগের সুপারিশ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটারের মাধ্যমে আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রার্থীদের অন্য কোনো যোগ্যতা যাচাইয়ের সুযোগ নেই। আমরা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি সবার সামনে আরো স্বচ্ছ করব। তিনি আরো বলেন, নিয়োগে সামান্যতম অনিয়মের সুযোগ নেই। কেবল যোগ্যতমদের নিয়োগের সুপারিশ করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি বলেন, আগে নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে উপজেলা কোটা বিবেচনা করা হতো। হাইকোর্টের নির্দেশে তা বাতিল করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশেই একটি জাতীয় মেধা তালিকা করেছে এনটিআরসিএ। জাতীয় মেধা তালিকার ক্রমানুসারেই নিয়োগের সুপারিশ করা হবে। সে হিসাবেই আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করা হবে। এটি করতে পারলে তো ভালোই। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, নিয়োগ প্রকাশের পর থেকেই সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পদচারণায় মুখরিত এনটিআরসিএ কার্যালয়। আশা করব, এনটিআরসিএ যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি তার সুনাম রক্ষা করে প্রকৃত শিক্ষক নিয়োগ করতে সমর্থ হবে।

 

 লেখক:মাছুম বিল্লাহ, শিক্ষা গবেষক ও বিশেষজ্ঞ, বর্তমানে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত।

জানুয়ারি ২০
১৪:৫৫ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

বাবুর্চি থেকে হোটেল মালিক আফজাল

বাবুর্চি থেকে হোটেল  মালিক আফজাল

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: ছিলেন বাবুর্চি এখন হোটেল মালিক। ৯০’ এর দশকে হোটেলের বয় হিসাবে যাত্রা শুরু এই যুবকের। আজ তিনি নিজেই একটি হোটেল পরিচালনা করছে। সুদীর্ঘ এই পেশাদার জীবনে অনেক পেয়েছেন। পেয়েছেন অর্থ, খ্যাতি, সম্মান ও সর্বোপরি সবার ভালোবাসা। এ ছাড়া বাগমারার সকল হোটেল কর্মচারিরা তাকে নেতাও বানিয়েছে। তিনি

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত