Daily Sunshine

উচ্চশিক্ষার নামে বাণিজ্য বন্ধ হোক

Share

দেশে উচ্চ শিক্ষার পরিধি বৃদ্ধি করতে সরকারের (পাবলিক) পাশাপাশি বেসরকারি (প্রাইভেট) মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দিতে বর্তমান সরকার আন্তরিক। তবে সরকারের এই ইতিবাচক মানসিকতাকে একটি মহল পূজি করে উচ্চ শিক্ষার নামে ব্যবসা সাজিয়ে বসেছে। বেসরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে ঠিকই তবে, শিক্ষার মান উন্নয়নে তারা ভূমিকা রাখছে না। সরকারি নিয়ম নীতির কোন কিছুই তারা আমলে নিচ্ছে না। এমনটা চলতে থাকলে সরকার তার লক্ষে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে। অনুমোদিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতারণার দায় এড়াতে পারে না সরকার।
গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রাজশাহীতে অবস্থিত শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজের ২৪০ জন শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে চলেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি তারা ৫ বছরে মাথা পিছু ২০ থেকে ২৩ লাখ টাকা খরচ করে এখন জানতে পারছে তাদের প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করার কারণে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) রেজিস্ট্রেশন পাচ্ছে না। আর এই রেজিস্ট্রেশন ছাড়া পাশ করা শিক্ষার্থীরা কোন হাসপাতালে ইন্টার্ণি করাসহ চাকরির সুযোগও পাবে না। শিক্ষার্থীদের দেয়া তথ্য মতে শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজে প্রয়োজনীয় শিক্ষক, ল্যাব, প্রফেসর সমমর্যাদার ডিপার্টমেন্ট হেড, হাসপাতালে নূন্যতম ২৫০ শয্যার চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা না থাকাসহ, পর্যাপ্ত ক্লাসরুম এবং লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় বই না থাকায় বিএমডিসি তাদেরকে রেজিস্ট্রেশন দিচ্ছে না। মেডিকেল শিক্ষার মান উন্নয়নে দেশের সকল বেসরকারি মেডিকেল বিশ^বিদ্যালগুলোর জন্য এই নীতিমালা করা হয়েছে। আর এর জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করছেন।
এই যখন বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর চিত্র তখন, অনুমোদিত অধিকাংশ বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান ও পরিবেশও আশাব্যঞ্জক নয়। কোন কোন বিশ^বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে পুরোপুরি পরিবার তন্ত্র বিরাজ করছে। আবার কোনটিতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নেই; নেই নিজস্ব ভবন।
বেসরকারি মেডিকল ও বিশ^বিদ্যালয়গুলো চলে তাদের শিক্ষার্থীদের অর্থে। অথচ সেই শিক্ষার্থীদের সাথেই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকাশ্যে প্রতারণা করছে। সমাধান না পেয়ে মাঝে মধ্যেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ জানিয়ে রাজপথে নেমে আসে। তবে সব ক্ষেত্রেই যে এসব সমস্যার সমাধন হচ্ছে এমনটা বলা চলে না। অথচ এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য রয়েছে তদারকি প্রতিষ্ঠান। তার পরো উচ্চশিক্ষা প্রত্যাশি তরুণ প্রজন্ম নিজ দেশেই প্রকাশ্যে প্রতারিত হয়ে চলেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি পূরণ করা হোক। বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হোক; যা শিক্ষার্থীদেরও দাবি।

ফেব্রুয়ারি ১৭
০৪:১৯ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

ডাবেই সচল বাচ্চুর জীবিকার চাকা

ডাবেই সচল বাচ্চুর জীবিকার চাকা

রোজিনা সুলতানা রোজি : সকাল থেকে রাত অবধি ডাবের সঙ্গেই সচল তার জীবিকার চাকা। প্রায় গত ৮ বছরের বেশী সময় ধরে সড়কের পাশে ফুটপাতে ডাব বিক্রি করে এক সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার ভালোই চলছে। ক’দিন আগেও প্রতিদিন ডাব বিক্রি করে প্রতিদিন ৬ থেকে সাতশ টাকা আয় হয়েছে তার।

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

প্রিমিয়ার ব্যাংকের সেই ফয়সালকে রিমান্ডে চায় দুদক

প্রিমিয়ার ব্যাংকের সেই ফয়সালকে রিমান্ডে চায় দুদক

স্টাফ রিপোর্টার : তিন কোটি ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের রাজশাহী শাখার কর্মকর্তা এফএম শামসুল ইসলাম ফয়সালকে সাত দিনের রিমান্ডে চায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতে তার এই রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। আগামী ১ মার্চ রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে। এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এফএম শামসুল ইসলাম

বিস্তারিত