Daily Sunshine

বাংলাদেশ এশিয়ার নতুন বাঘ রাজশাহী নির্মল শহর

Share

সানশাইনের সঙ্গে আলাপচারিতায় ফারেনহল্টজ
আসাদুজ্জামান নূর/রোজিনা সুলতানা রোজি : বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানীর রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহল্টজ এসেছিলেন রাজশাহী। গতকাল রোববার নগরীর একটি রেঁস্তোরায় দৈনিক সানশাইনের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। কথা বলেছেন নানা বিষয় নিয়ে। তার সঙ্গে আলাপচারিতার কিছু অংশ তুলে ধরা হলো।
রাজশাহী কেমন লাগছে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি ঢাকা থেকে এখানে নেমেই অত্যন্ত চমকিত হয়েছি। অত্যন্ত সবুজ এই শহর, এখানে অনেক গাছ এবং অত্যন্ত পরিস্কার শহর এটি। অভিভূত হয়েছি। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। চমৎকার ক্যাম্পাস। সেখানে অনেক পুরোনো গাছ রয়েছে।
রাজশাহীর বাতাসের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আমি আনন্দিত যে এখানকার বাতাস অনেক ভাল। বাতাসের বিশুদ্ধতার সূচকে আজকে সকালেও ঢাকার বাতাস অত্যন্ত খারাপ ছিল। কিন্তু এখানকার বাতাস অনেক ভাল। এখানে মানুষকে অনেক আরামপ্রিয় মনে হচ্ছে। অনেক বেশি ব্যতি-ব্যস্ততা নেই। এখানে এসেই আমি অভিভূত হয়েছি। এছাড়াও রাজশাহীতে কোন যানজট নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশকে নিয়ে জার্মানীর ভাবনা বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা মনে করি এশিয়াতে বাংলাদেশ একটি নতুন সাফল্যের গল্প। বাংলাদেশ হচ্ছে এশিয়ার নতুন বাঘ। এশিয়ার মধ্যে উচ্চতর প্রবৃদ্ধির হার বাংলাদেশের। এদেশের মানুষকে সরকার অনেক সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন জিডিপিতে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। আশা করা যায়, শীঘ্রই, দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই ইন্ডিয়াকেও ছাড়িয়ে যাবে। শীঘ্রই এশিয়ার মধ্যে শীর্ষ ধনী দেশে পরিণত হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) অর্জনের জন্য অনেক কিছু করেছে। যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তখনই কাজে আসবে, যদি এটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়। আর না পৌঁছালে তা তেমন কাজে আসবে না। প্রত্যেকেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থেকে লাভবান হওয়া দরকার। যদি সবার ভাল হয়, তবেই এটি ভাল।
বর্তমানে বাংলাদেশ জার্মানীর বিনিয়োগ ও ভবিষ্যত ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, এই মূহুর্তে ৭০টির চেয়ে বেশি জার্মান কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছে। প্রতিমাসেই আরও নতুন নতুন কোম্পানি বিনিয়োগে এগিয়ে আসছে। অনেক কোম্পানিই এখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই রয়েছে। যেমন জিমেন্স। সবাই জিমেন্স সম্পর্কে জানে। তারা এখানে ৬৫ বছর যাবত রয়েছে। এনার্জি সেক্টর, মেডিকেল কেয়ার সহ বিভিন্ন সেক্টরে বিভিন্ন কোম্পানি কাজ করছে। বায়া, বিএএসএফ, ইভনিক, পেইন্স ইত্যাদি কোম্পানি ঔষধসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে তারা কাজ করছে। এছাড়াও আমাদের আরও কিছু নতুন কোম্পানি আসছে। যেমন- ফ্রোজেনিওস। তারা মেডিকেল কেয়ার বিক্রি করে। উদাহরণস্বরুপ- মোবাইল ডায়ালাইসিসি মেশিন, যেটা আপনি বাসায় নিয়ে যেতে পারেন। যেটা বাসায় নিয়ে আপনি পরীক্ষা করাতে পারেন। তারপর রয়েছে এসইএ কিচেন। যেটা একটা বিলাসবহুল রান্নাঘর। এরকম আরও অনেক কোম্পানি আসবে। আমি নিশ্চিত, শীঘ্রই এখানে জার্মান কার প্রস্তুতকারকরা আসবেন। এদেশে জার্মান কার তারা তৈরী করবেন।
এদেশের প্রান্তিক মানুষদের উন্নয়নে জার্মানীর ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, এখানে দুইটি বিষয় রয়েছে। প্রথমত, জার্মান সরকার বাংলাদেশের উন্নয়ন সহকারী। বর্তমানে বাংলাদেশে জার্মানীর চলমান প্রজেক্ট রয়েছে ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার পরিমাণ। আমরা বাংলাদেশ সরকারের জন্য অনেক কিছু করার চেষ্টা করি। তারপর সভ্য সমাজ ও এনজিওগুলো কাজ করে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা অনেক কাজ করে যা সরকার করতে পারে না। কারন, সরকারের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমি অত্যন্ত খুশি যে, জার্মানী কোম্পানি বাংলাদেশে অনেক বছর যাবত কাজ করছে।
বাংলাদেশ ও জার্মানীর সম্পর্কের উন্নয়ন নিয়ে এইচ ই পিটার ফারেনহোল্টজ বলেন, আমাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশী ও জার্মান নেতারা একে অপরের সঙ্গে আলাপ অব্যাহত রেখেছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছর অক্টোবরে বার্লিনে গিয়েছিলেন। জার্মানীর ‘মিনিস্টার অব ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন’ এই ফেব্রুয়ারিতেই বাংলাদেশে আসবেন। তিনি বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন। গত বছর জার্মানীর জার্মান পার্লামেন্টের প্রতিনিধি দল দুই দফায় বাংলাদেশে এসেছিল। জার্মানী চায়, বাংলাদেশের সংসদ সদস্যরাও এবার জার্মানি যাক। এভাবেই সম্পর্কে উন্নয়ন হবে।
এছাড়াও দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নে আরও কিছু বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন এই জার্মান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, অনেক জার্মান কোম্পানি বাংলাদেশে আসছে। জার্মানি বাংলাদেশের রেডিমেড গার্মেন্টসের বড় আমদানিকারক। যেটা দুদেশের সম্পর্ককে শক্তভাবে আবদ্ধ করে। এছাড়াও শ্রমিকদের কাজের শর্তেও ব্যাপারে যত্ন রাখি। রানা প্লাজার ঘটনার পরে আমরা সকলেই একমত হব যে, আমাদের আরও বেশি সুরক্ষা প্রয়োজন। ভবন, মেশিন, আগুন ইত্যাদি উন্নত করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার অনেক কিছু করেছে অবস্থার উন্নতি করতে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্পর্কের উন্নয়ন সাংস্কৃতিক দিকও গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকায় জার্মান কালচারাল ইন্সটিটিউট রয়েছে। সেখানে প্রতিদিন অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকে। ভাষা ক্লাস নেয়া হয়। আমরা চাই প্রাতিষ্ঠানিক বিনিময়। আরো অনেক শিক্ষার্থী গবেষক, বৈজ্ঞানিক বাংলাদেশ থেকে জার্মানি আসুক। এছাড়াও চাইব, সম্ভব হলে জার্মান শিক্ষার্থী ও গবেষকরা এখানে আসুক এবং কিছু সময় কাটাক। আমরা বিশ^াস করি, এই একাডেমিক এক্সচেঞ্জ, স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ দুই দেশের বন্ধুত্ব মজবুতকরনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এখানকার ছাত্ররা জার্মানি গেলে, তারা সেখানে অনেক বন্ধু বানাবে। এটা আমাদের মানুষদেরকে সম্পৃক্ত করে। আমরা এটার উপর জোর দিচ্ছি। এগুলো জায়গাতে আমরা কাজ করছি আমাদের সম্পর্ক উন্নয়নে।
গার্মেন্টস প্রোডাক্ট ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে জার্মানীর আমদানী সম্পর্কে এই রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা রেডিমেড গার্মেন্টস ও লেদার প্রোডাক্ট আমদানী করি। আমি মনে করি, পাট সেক্টরে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বাংলাদেশ ভাল মার্কেটিং করে তবে ভাল বিক্রি হবে। বাংলাদেশ জার্মানীতে জেনেরিক ফার্মাসিটিক্যালস রপ্তানি করছে। তারা জার্মান সংস্থার অনুমোদনও পেয়েছে।
কয়েক বছরের মধ্যে কয়েকটি জার্মান কোম্পানিকে আমরা দেখব। যারা কার প্রস্তুত করবে। কারন আমি মনে করি বাংলাদেশী নাগরিক তাদের সঞ্চয়ের অনেক বড় অংশ সেকেন্ড হ্যান্ড কার কেনার পেছনে ব্যয় করছেন। তারা নতুন কার পাওয়ার অধিকার রাখেন। এবং আমরা সেটাই করতে চাই।
বাংলাদেশ সম্পর্কে এইচ ই পিটার ফারেনহোল্টজ ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমি ইতিবাচকভাবে আশ্চর্য হয়েছি। এখানে আসার আগে আমার ভুল ধারণা ছিল। আমি মনে করতাম, বাংলাদেশ একটি অতি দরিদ্র দেশ। বন্যা, মানুষজন গরীব ইত্যাদি। সেটা অত্যন্ত ভুল। আমি এখানে আসার পরে জানতে পারলাম- এই দেশ আয়ের দিক থেকে মধ্যম পর্যায়ে অবস্থান করছে। এবং নারীরাও অনেক সক্রিয়। তারা প্রতিনিয়তই প্রাত্যহিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছেন। এটা আমার জন্য একটা শেখা। আবিষ্কার করলাম, এদেশের অভাবনীয় সম্ভবনাগুলোকে।
তিনি আরও বলেন, আমি বাংলাদেশের মানুষের আঞ্চলিক ও কঠোর ভৌগলিক বিভিন্নতার কারনে শ্রদ্ধা করি। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের উৎস নেই, পাথরও নেই। এটা একটা ব-দ্বীপ। তারপরেও বাংলাদেশ তলানী থেকে মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। অনেক মানুষ মিডিল ঈস্টে কাজ করছেন। এদেশে টাকা পাঠাচ্ছেন। এটা খুব একটা সহজ কাজ নয়।
বাংলাদেশের কর্মসংস্থান তিনি বলেন, বাংলাদেশীদের স্কিল বাড়াতে হবে। এই মূহুর্তে বাংলাদেশ বিদেশে সাধারণ শ্রমিক পাঠাচ্ছে। যারা সাধারণ কাজ করে। তাদের ভাষা ও অন্যান্য দক্ষতা বাড়াতে হবে। জার্মানরা দক্ষ মানুষ খুঁজছি। স্কিল বাড়ানোর সাথে সাথে জার্মান ভাষা শিখতে হবে। তেমনিভাবেই ইটালী, ফ্রান্স ও অন্যান্য দেশেও স্কিলড মানুষদেরকে চায়। বাংলাদেশ সেখানে অনেক অবদান রাখতে পারে।
জার্মানীর আবহাওয়া ও সংস্কৃতির পার্থক্য সম্পর্কে তিনি বলেন, জার্মানী একটি শীতল দেশ। অনেক তুষার, বরফ, পাথর আছে। অনেক পাহাড় আছে। বড় বড় বন-জঙ্গল। ঘন জন বসতি নেই। বাংলাদেশ জার্মানীর চেয়ে ছয়গুন বেশি জনঘনত্ব রয়েছে। আমাদের উত্তর জার্মানী আপনাদের মত সমতল। অনেক বড় নদী ও নদীতে নৌকা রয়েছে। সেটা কিছুটা বাংলাদেশের মত।
বাংলাদেশের আবহাওয়া পছন্দ করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা অনেক উষ্ণ। জার্মানরা উষ্ণ দেশে ভ্রমনের জন্য অনেক টাকা ব্যয় করেন। কিন্তু আমি এখানে সেটা উপভোগ করছি এবং সেটার জন্যও আমাকে টাকা দেয়া হচ্ছে।
বর্ণবাদ বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা এ বিষয়ে খুবই সিরিয়াস। বর্ণবাদের সমস্যা হলো এটা সবখানে লক্ষ্য করা যায়। যখন কেউ নতুন আসে সবাই নেতিবাচক আচরণ করে। অবশ্যই এটা ভাল নয়, আমাদের সকল ক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে এই ভয় ও বর্ণবাদ দুর করতে হবে।
আমরা ইন্ডিয়াতে কিছু দেখেছি। এবং বাংলাদেশেও পেয়েছি। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদেরকে গ্রহণ করেছে। কিন্তু সবাই এটা নিয়ে খুশি নয়। জার্মান সরকার এটা খুবই গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। বিশেষ করে আমাদের ইতিহাস, হিটলার ইত্যাদি বিষয়ের কারনে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চেয়ে আমরা বেশি গুরুত্বের সঙ্গে বর্ণবাদ সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করি।
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জার্মানীর ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, আমরা মানবিক সাহায্য করেছি। আমরা এ পর্যন্ত এক হাজার মিলিয়ন ডলারেরও বেশি সহায়তা দিয়েছি বাংলাদেশকে। রোহিঙ্গাদের জন্য অনুমোদন দিয়েছে জার্মানী। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অনুদান দিয়েছে, আমেরিকানরা অনুদান দিয়েছে। কিন্তু জার্মানী ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে মিলে কাজ করছে। জার্মানী সম্প্রতি জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলের সদস্য হয়েছে। কিছুদিনি আগে মিয়ানমারের অবস্থা ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সিকিউরিটি কাউন্সিলে আলোচনা হয়েছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্যরা স্টেটমেন্ট দিয়েছে। ইউকে, জার্মানী ও ফ্রান্স ‘স্টেটমেন্ট’ দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক আদালত যে নির্দেশনা দেবে, তা মিয়ানমারকে মানতে হবে।
বাংলাদেশে যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, বাই সাইকেল ও রিক্সাতে ভ্রমণ করেছি। কম দূরত্বের গন্তব্যে তিনি এগুলো ভ্রমণ করতে ভালবাসেন বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশে অতিরিক্ত বিনিয়োগের ব্যাপারে জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, আমাদের ব্যবসা পলিসি উন্মুক্ত। আমরা মনে করি, বাংলাদেশকে স্কিল বাড়াতে হবে। বাংলাদেশকে উদ্যোগ নিতে হবে বিদেশী বিনিয়োগকারী বাড়াতে। খুবই কম ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) বাংলাদেশে আসছে। বাংলাদেশে আগামীতে ১২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন রাস্তাঘাট, শিক্ষাখাতে ও অবকাঠানো ও অন্যান্য উন্নয়ন করতে। কিন্তু এ টাকা কোথায় থেকে আসবে? কারন, এখানে ব্যাংকিং সিস্টেম ভাল না, স্টক মার্কেট ভাল করছে না। সেজন্য এটা বাইরে থেকে আসতে হবে। বিশেষ করে ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই)। এজন্য ব্যবসা ব্যবস্থা সহজ, দুর্নীতি কমানো ও বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন জার্মান রাষ্ট্রদূত এইচ ই পিটার ফারেনহোল্টজ।

ফেব্রুয়ারি ১০
০৪:৫২ ২০২০

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

নগর আ’লীগের সভাপতি হতে চাননি ফারুক চৌধুরী

নগর আ’লীগের সভাপতি হতে  চাননি ফারুক চৌধুরী

গুজব ছড়ানো হচ্ছে আসাদুজ্জামান নূর : আসন্ন ১ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। ইতোমধ্যে স্থানীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে, এবারের সম্মেলনে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ সভাপতি হতে চান রাজশাহী-১ (তানোর-গাদাগাড়ী) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। এসকল খবরের সত্যতা

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

অনশনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে রাজশাহী পাটকলের আট শ্রমিক

অনশনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে রাজশাহী পাটকলের আট শ্রমিক

স্টাফ রিপোর্টার : অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের পিএফ গ্রাচ্যুইটির টাকাসহ ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আমরণ অনশনের মধ্যে রাজশাহী পাটকলের আটজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরা হলেন, আব্দুল গফুর, জয়নাল আবেদিন, আলতাফুন বেগম, মহসীন কবীর, আসলাম আলী, মোশাররফ হোসেন, মোজাম্মেল হক ও

বিস্তারিত