Daily Sunshine

মাদক ব্যবসায়ী পরিবারের সকলকে বিচারের আওতায় আনার দাবি

Share

নগরীতে রাজন হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী নগরীর মালদা কলোনী এলাকার যুবক রাজেন শেখ হত্যায় সংশ্লিষ্টদের বিচারের দাবিতে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী ও স্বজনরা। সোমবার সকালে তারা মিছিল নিয়ে শাহমখদুম থানায় অবস্থিতি পুলিশ কমিশনারের অস্থায়ী কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। তবে কার্যালয়ের গেটে পুলিশ ব্যারিকেটে আন্দোলনকারীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেনি। এসময় তারা ঘটনাস্থলে প্রায় বিশ মিনিট অবস্থান করেন। এসময় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে মূল আসামী সোহেলর মা ও বাবাকেও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান হয়।
পরে এদিন বিকেলে নগরীর জিরো পয়েন্টে একই দাবিতে সমাবেশে করেছে এলাকাবাসী। বিক্ষোভকারীরা আসামি সোহেলের বাবা আরমান শেখ এবং মা শাহানা বেগমকেও বিচারের আওতায় আনার জন্য দাবি জানান। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ব্যানারে রাজন হত্যাকাণ্ডের আদেশদাতা হিসেবে তাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, সোহেলরা সপরিবারে মাদক ব্যবাসর সাথে সম্পৃক্ত। পূর্ব শত্রুতার জেরে গত শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রকাশ্য দিবালোকে স্থানীয় যুবক সোহেল মালদা কলোনী বৌবাজারে অবস্থিত নিজ দোকানে রাজনকে কুপিয়ে হত্যা করে।
নিহত রাজনের স্বাজন ও এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, হত্যাকারী সোহেলের পরিবার এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তারা বাড়িতে গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। প্রায় চার মাস আগে মাদক ব্যবসার অভিযোগে সোহেলের মা শাহানা বেগমকে চাঁদ রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। সেদিন থেকেই অভিযুক্ত সোহেল ও তার পরিবারের সন্দেহ শাহানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে তথ্য দিয়েছে রাজন। এর পর থেকে রাজন ও তার ভাই ও পরিবারকে বিভিন্ন সময় রাস্তায় দেখলেই সোহেল হুমকি দিয় বলতো, মা বেরহলেই রাজনকে দেখে নেব। বৃহস্পতিবার সোহেলের মা জেল থেকে ছাড়া পান। এর পর শনিবার সোহেল ও তার চাচা রাজনকে দোকানে একা পেয়ে ধারাল অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত আক্রমণ করে। এই ঘটনায় সোহেল মারা যায়।
নিহতের ভাই সার্জেন আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তাদের দোকান থেকে পাঁচ হাজার টাকা বাকি নিয়েছিল আসামী সোহেলের। তবে হত্যাকারী সোহেলেসহ তার পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মামলা করতে চাইলেও তা না করে পুলিশ মামলায় শুধুমাত্র পাওনা টাকার বিষয়টিই শুধু তুলে ধরেছে। তিনি আরো জানান, শনিবার তার ভাইকে হত্যার পর দুপুরে পুলিশ সোহেলকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থানায় গেলে পুলিশের সামনেই আবারো সার্জেনকে দেখে নেয়ার হুমকী দিয়েছে আসামী সোহেল।
এদিকে রাজন হত্যার ঘটনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে মূল আসামী সোহেলসহ তারা চাচা আব্দুর রহিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। এবিষয়ে মামলা চলমান আছে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, এ মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি দুজন। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। মামলাটি গুরুত্বসহকারেই তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ কমিশনারের অস্থায়ী কার্যালয়ে বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিহতের স্বজনরা কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেছিল। পুলিশের তদন্ত যেন ভালোভাবে হয় ও কেউ যেন আইনের আওতার বাইরে না থাকে বা পালাতে পান পারে সেই দাবিতে বিক্ষোভ করা হয়েছিল। এসময় পুলিশের এই কর্মকর্তা জানানা, সোহেলে পরিবার মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।

ডিসেম্বর ০৩
০৪:২০ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

বাবুর্চি থেকে হোটেল মালিক আফজাল

বাবুর্চি থেকে হোটেল  মালিক আফজাল

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: ছিলেন বাবুর্চি এখন হোটেল মালিক। ৯০’ এর দশকে হোটেলের বয় হিসাবে যাত্রা শুরু এই যুবকের। আজ তিনি নিজেই একটি হোটেল পরিচালনা করছে। সুদীর্ঘ এই পেশাদার জীবনে অনেক পেয়েছেন। পেয়েছেন অর্থ, খ্যাতি, সম্মান ও সর্বোপরি সবার ভালোবাসা। এ ছাড়া বাগমারার সকল হোটেল কর্মচারিরা তাকে নেতাও বানিয়েছে। তিনি

বিস্তারিত




চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত