Daily Sunshine

হেমন্তেই শীতের পদধ্বনি

Share

ফয়সাল আলম: কুয়াশার চাদরে মুড়ে শীত আসছে। এখন যদিও হেমন্তকাল তবুও শীতের আগমনী বার্তা শুরু হয়েছে রাজশাহী অঞ্চলে। কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা, অনুভূত হচ্ছে শীতের পদধ্বনি। সন্ধ্যার পর থেকেই শীত অনুভূত হচ্ছে। রাতে ও মধ্যরাতে অনুভূত হচ্ছে আরও বেশী। জেলা শহর ও সীমান্তবর্তী উপশহরসহ গ্রামাঞ্চলে শীত পড়তে শুরু করেছে। সন্ধ্যালগ্নে কুয়াশার দেখা মিলছে। শেষ রাতে কুয়াশা পড়ছে বেশি করে। চলতি ঋতুর বৈশিষ্ট্যই এমন যে রাতে হালকা শীত অনুভূত হয় আবার সূর্যের তাপের কারণে দিবা ভাগে কিছুটা হলেও গরম লাগে। রাজশাহী জেলা শহরেও শেষ রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে শীতের অনুভূতি আরো বেশি। প্রকৃতি ও জীবনেও শীতের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে। মানুষের শরীর হালকা শীতের প্রভাবে শুষ্ক হয়ে উঠছে। এ কারণে শীতের প্রসাধনী বিশেষ করে কোল্ড ক্রিম, পেট্রোলিয়াম জেলি, ময়েশ্চারাইজারের বিক্রি বেড়েছে। শহরগুলোতে রাতে গরম কাপড়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা না দিলেও বেশি রাতে যারা চলাফরা করেন পরিধেয় কাপড় চোপড়ে কিছুটা শীত অনুভব করছেন। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কেউ কেউ গরম কাপড় নামাতে শুরু করেছেন। আবহাওয়াবিদদের অভিমত যেখানে গাছপালা বেশি, জনবসতি কম, পাহাড় ঘেরা সেখানে শীতের অনুভূতি বেশী। শীতের আগমনী বার্তায় শহর- উপশহরে বিভিন্ন মহল্লায় লেপ তোষক তৈরির কারিগররা ইতিমধ্যে হাকডাক শুরু করে দিয়েছে। জেলা সদরগুলোর বিভিন্ন মার্কেটে শীতের কাপড় আমদানি শুরু হয়েছে। শীতের হাওয়া লাগলেও শীতের শাকসবজি তেমন একটা দেখা যায়নি। খেজুর রস এখনো উঠেনি। ভাপা উঠতে শুরু করেছে। শীতের এই আগমনী ধ্বনিতে অনেকে উল্লসিত হলেও নিম্নবিত্ত ফুটপাতে যারা থাকে শীতের কাপড়ের অভাবে তাদের জন্য শীত হয়ে উঠে দুঃসহ। তাই প্রস্তুতির প্রয়োজন এখনই।

নভেম্বর ২০
০৩:৪৫ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

বাবুর্চি থেকে হোটেল মালিক আফজাল

বাবুর্চি থেকে হোটেল  মালিক আফজাল

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: ছিলেন বাবুর্চি এখন হোটেল মালিক। ৯০’ এর দশকে হোটেলের বয় হিসাবে যাত্রা শুরু এই যুবকের। আজ তিনি নিজেই একটি হোটেল পরিচালনা করছে। সুদীর্ঘ এই পেশাদার জীবনে অনেক পেয়েছেন। পেয়েছেন অর্থ, খ্যাতি, সম্মান ও সর্বোপরি সবার ভালোবাসা। এ ছাড়া বাগমারার সকল হোটেল কর্মচারিরা তাকে নেতাও বানিয়েছে। তিনি

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত