Daily Sunshine

সরষে ফুলে হলুদ হচ্ছে মাঠ

Share

রোজিনা সুলতানা রোজি : হেমন্তের শুরুতেই রাজশাহীর বরেন্দ্রর মাঠে মাঠে হলুদ আভা ছড়াতে শুরু করেছে সরষে ক্ষেত। ক্রমেই হলুদ রঙে অপরূপ হয়ে উঠছে প্রকৃতি। ভোরের বিন্দু বিন্দু শিশিরকণার আস্তরণ পড়ছে হলুদ ফুলের পাপড়িজুড়ে। শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে শেষ বিকেলের মিষ্টি সোনালী রোদ সরিষা ক্ষেতের ওপর মাতাল করা দোলা দেয় তখন চারপাশের প্রকৃতি আরও সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। শীতের রিক্ততায় সরষে ফুলে হলুদ রং যেন প্রাণের স্পন্দন নিয়ে আসে। শীতে সরিষা ক্ষেত গ্রাম-বাংলার রূপকে আরও বেশি অপরূপ করে তোলে। তখন যতদূর চোখ যায় কেবল হলুদ আর হলুদ।
এখনই সেই আভা শুরু হয়েছে। আর কদিন পর চোখে পড়বে হলুদের সাম্রাজ্য। তখন মনে হবে যেন বাসন্তী রঙের শাড়ী পরেছে প্রকৃতি। তবে এখনই মাঠজুড়ে সে হলুদ আভায় আকৃষ্ট হয়ে মৌমাছির দল ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে মধু আহরণে। সেই অপরূপ সরষে ফুলের মুগ্ধতা ও দৃশ্যে মন হারিয়ে যাবে যে কারুরই। সরষে ফুলের হলদে সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন চোখে পড়তে শুরু করেছে হলুদের সাম্রাজ্য। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বছর আবহওয়া ভালো হওয়ায় সরিষার ফলন অন্য বছরগুলোর চেয়ে ভালো। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, এই এলাকার বেশিরভাগ শস্য খেতেই এখন সরিষার চাষ হচ্ছে। সরিষা গাছের হলুদ ফুলে উড়ে বেড়াতে শুরু করেছে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি। দুপুরে গোদাগাড়ীর সজিপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায় কৃষকরা তাদের ক্ষেতে গিয়ে আগাছা পরিষ্কারে ব্যস্ত। কৃষকরা বলেন, ধান-সবজির পাশাপাশি এখন প্রতি মৌসুমে সরিষা চাষ করি। এতে ভালোই লাভ হচ্ছে।
তাদের ভাষ্যমতে, এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করতে এক হাজার থেকে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভালো হলে বিঘাপ্রতি চার থেকে পাঁচ মণ সরিষা উৎপাদন সম্ভব। আর প্রতি মণ সরিষার মূল্য দেড় থেকে দুই হাজার টাকা।
মুলত: সরিষা একটি তৈল বীজ জাতীয় অর্থকরী ফসল। কৃষকরা সাধারণত নিজের চাহিদা মিটিয়ে অবশিষ্ট ফসল বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করেন। চলতি বছর সরিষার ফলন ভালো। সাধারণত বছরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়। সরিষার ঝরে পড়া পাতা ও ফুল জৈব সার হিসেবে কাজ করে। এখন থেকেই সরিষা ক্ষেত থেকে মধু আহরহনকারীরা মধু সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

নভেম্বর ১৮
০৪:১০ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

বাবুর্চি থেকে হোটেল মালিক আফজাল

বাবুর্চি থেকে হোটেল  মালিক আফজাল

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: ছিলেন বাবুর্চি এখন হোটেল মালিক। ৯০’ এর দশকে হোটেলের বয় হিসাবে যাত্রা শুরু এই যুবকের। আজ তিনি নিজেই একটি হোটেল পরিচালনা করছে। সুদীর্ঘ এই পেশাদার জীবনে অনেক পেয়েছেন। পেয়েছেন অর্থ, খ্যাতি, সম্মান ও সর্বোপরি সবার ভালোবাসা। এ ছাড়া বাগমারার সকল হোটেল কর্মচারিরা তাকে নেতাও বানিয়েছে। তিনি

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত