Daily Sunshine

শিল্পের নান্দনিকতায় মুগ্ধ দর্শনার্থী

Share

রোজিনা সুলতানা রোজি : এ যেন এক অন্য সবুজের সমারোহ এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলন মেলা। গাঢ় সবুজের ফাঁকে ফাঁকে শোভা পাচ্ছে লাল, সাদা, গোলাপী, হলুদসহ হরেক রকম ফুল। টবে বসানো আস্ত আস্ত সবুজ গাছের খর্বাকৃতি। বাংলাবট, লাইকড়, তেঁতুল, কামীনি প্রভৃতি সব গাছের সমারোহ। এ যেন শিল্পীর ছোয়ায় একেকটি নান্দনিক বৃক্ষের সমাহার। কেউ বাণিজ্যিক কারনে আবার কেউ শখের বসেই ঝুঁকছেন এই পরিবেশবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন বনসাই শিল্পে।

বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাজশাহীতে তিনদিনব্যাপী শুরু হওয়া এ বনসাই প্রদর্শনীতে শুরু থেকেই ভীড় বৃক্ষ ও প্রকৃতি প্রেমিদের। রাজশাহী বনসাই সোসাইটির আয়োজনে এবার প্রদর্শনী শুরু হয়েছে রাজশাহী কলেজে। এ প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে স্থানীয় ৪৫ জন বনসাই শিল্পীর তৈরী দুই শতাধিক বনসাই। শুক্রবার ছুটির দিনে বনসাই প্রেমিরা ভীড় করেন রাজশাহী কলেজ চত্বরের বনসাই মেলায়।

আয়োজকরা জানান, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা থেকে জন্ম বনসাই চর্চার। হাজার বছর থেকে চলে আসছে বনসাই চর্চা। তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে এর পরিধি, সৌন্দর্য্য আর আধুনিকতা। সবমিলিয়ে বনসাই চর্চা এখন আধুুনিক ও মননশীল শিল্পে পরিনত হয়েছে। এর নান্দনিকতা তৃপ্তি যোগায় মনে।

শুক্রবার বিকেলে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশী বহু প্রজাতির বনসাই। এর মধ্যে রয়েছে কামিনী, জিলাপি, চাইনিজ বট, পাইকড়, বট, তেঁতুল, শেওড়া, বাংলা বট, ঝুমুর, ডুমুর, থাই চেরি, সেফিলেরা, কৃষ্ণচূড়া, ফাইকাস, ফুকেনটি, বাগানবিলাস, লাইকড়, ফুকেট টি, বৈচি, কদবেল, পেন্টাস, বেনজামিন, রেটুসা, রামফি, গোল্ডেন, ভাইরেন্স, বাওবাব, জেড, ফাইকাস লংআইল্যান্ড, থাইচেরী, রঙ্গন, ছাতিমসহ নানারকম বনসাই।

ফিরোজ, মুস্তাফিজ, রুমা, সবুজসহ কয়েকজন দর্শনার্থী বিকেলে দল বেধে আসেন বনসাই দেখতে। তারা জানান, বনসাই মেলায় এসে তারা খুব আনন্দিত এবং অনুপ্রাণীত। ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় বেশি বেশি সময় পার করছেন এবং তাদের পছন্দের গাছগুলো কিনছেন। আবার অনেকেই বিনোদনের জন্য পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধব নিয়ে মেলায় এসেছেন। এতে দর্শনার্থী এবং শিক্ষার্থীরা অনুপ্রাণীত হচ্ছে। তারা আরও জানান, এটা পরিবেশ বান্ধব এবং খুব ভাল একটা লাভজনক ব্যবসা।
মেলা চত্ত্বরে বনসাই প্রদর্শনীতে ভীড় ছিলো লক্ষনীয়। শুক্রবার ছুটির দিনে যেন বনসাই দেখতে মানুষের স্রোত নামে। দর্শনাথীরা বলছেন একেকটি বনসাই যেন জীবন্ত শিল্প। আয়োজকরা বলেন, একটি জীবন্ত শিল্পকে টিকিয়ে রাখা খুবই কষ্টকর হলেও জীবন্ত শিল্পকে ধরে রাখার জন্য শ্রম ও ভালোবাসার মধ্যে গড়ে তোলায় হলো বনসাই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আস্ত একটি বটগাছ টবে আটকানো, বড় ধরনের তেঁতুলগাছ স্থান পেয়েছে ছোট্ট টবে। বনসাই এমনই এক শিল্পকর্ম যার সৌন্দর্য্য প্রকৃতির সঙ্গে একই সীমারেখায় মিশিয়ে দিতে সক্ষম। আয়োজকরা জানালেন, মেলার দ্বিতীয় দিনে বনসাই বিক্রি ভালই হয়েছে। আজ শনিবার ছুটির দিনেও ব্যাপক সাড়া পাওয়ার আশা বনসাই বিক্রেতাদের।

নভেম্বর ১৬
০৪:০৯ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

বাবুর্চি থেকে হোটেল মালিক আফজাল

বাবুর্চি থেকে হোটেল  মালিক আফজাল

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: ছিলেন বাবুর্চি এখন হোটেল মালিক। ৯০’ এর দশকে হোটেলের বয় হিসাবে যাত্রা শুরু এই যুবকের। আজ তিনি নিজেই একটি হোটেল পরিচালনা করছে। সুদীর্ঘ এই পেশাদার জীবনে অনেক পেয়েছেন। পেয়েছেন অর্থ, খ্যাতি, সম্মান ও সর্বোপরি সবার ভালোবাসা। এ ছাড়া বাগমারার সকল হোটেল কর্মচারিরা তাকে নেতাও বানিয়েছে। তিনি

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত