Daily Sunshine

বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি আস্থা

Share

ওয়ার্কার্স পার্টির কংগ্রেস
দেশের বামধারার রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির ১০ম কংগ্রেস হয়ে গেলো। এতে আবারো পার্টির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রাশেদ খান মেনন ও ফজলে হোসেন বাদশা। এ নিয়ে রাজশাহীর এক সময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা বাদশা দ্বিতীয় মেয়াদে পার্টির সম্পাদক হলেন। মেনন বাদশার পুন: নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে পার্টিতে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল তারও অবসান হলো।
বামধারার রাজনীতিতে দেশে এখন অন্যতম দল বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি। স্বাভাবিক ভাবে এই দলের শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্বে আবারো রাশেদ খান মেনন ও ফজলে হোসেন বাদশা নির্বাচিত হওয়ায় এটা বোঝা যায় তাঁদের উপর দলীয় নেতা-কর্মীদের বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে এবং অন্যান্য সাথীদের নিয়ে দলকে আরো সংগঠিত করতে পারবেন ও আদর্শিক লড়াই সংগ্রামে এগিয়ে যাবেন বলে আমাদের বিশ্বাস।
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, ১৪ দলীয় জোটের শরিক দল। ফলে ক্ষমতার বলয়ে রয়েছে দলটি বা বলা যায় বর্তমান সরকার অংশিদার। আর এই জোটের দল হিসেবে রাজশাহীর সদর আসন থেকে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছেন ফজলে হোসেন বাদশা। দলের সভাপতিও একই ভাবে সংসদ সদস্য। সে হিসেবে বলা যায় পার্টির দুই শীর্ষ নেতাই সংসদ সদস্য। এখন দলকে আদর্শিক জায়গায় রেখে সংসদের ভেতরে যেমন কথা বলতে হবে, ঠিক তেমনি গণমানুষকে আদর্শিক সংগ্রামের জন্যেও প্রস্তুত করতে হবে।
ফজলে হোসেন বাদশার দ্বিতীয় মেয়াদে পার্টির সম্পাদক হওয়ায় জাতীয় পর্যায়ে তাঁর দায়িত্ব আরো বেড়ে গেলো। এর সাথে রাজশাহী থেকে একজন নেতা জাতীয় পর্যায়ে একটি দলের নেতৃত্ব দেবেন। এটা রাজশাহীর জন্যে অবশ্যই গর্বের। আমরা আশা করি তিনি তাঁর দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের অভিজ্ঞতায় পার্টিকে আরো সংগঠিত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন। যা বৈষম্যহীন সমাজ ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

নভেম্বর ০৭
০৪:০৫ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

শিল্পের নান্দনিকতায় মুগ্ধ দর্শনার্থী

শিল্পের নান্দনিকতায়  মুগ্ধ দর্শনার্থী

রোজিনা সুলতানা রোজি : এ যেন এক অন্য সবুজের সমারোহ এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের মিলন মেলা। গাঢ় সবুজের ফাঁকে ফাঁকে শোভা পাচ্ছে লাল, সাদা, গোলাপী, হলুদসহ হরেক রকম ফুল। টবে বসানো আস্ত আস্ত সবুজ গাছের খর্বাকৃতি। বাংলাবট, লাইকড়, তেঁতুল, কামীনি প্রভৃতি সব গাছের সমারোহ। এ যেন শিল্পীর ছোয়ায় একেকটি নান্দনিক বৃক্ষের সমাহার।

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত