Daily Sunshine

সংসার ছাড়লেন মিম

Share

সানশাইন ডেস্ক: নাট্য জগতের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। বহু নাটকে তার হাস্যরসে মাখা অভিনয় দর্শকদের বিনোদন দিয়েছে। এই অভিনেতা ২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন। সিদ্দিকের স্ত্রী মিমও মিডিয়া জগতের মানুষ। তিনি মডেলিং ও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত।
বিয়ের পরের বছর সিদ্দিক-মিম দম্পতির সংসার আলো করে আসে পুত্র সন্তান। নতুন সদস্যকে নিয়ে ভালোই চলছিল তাদের সংসার। তবে সাম্প্রতিক খবর হচ্ছে, দুই তারকার আলোকিত সংসার নাকি এখন অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। ভেঙে যাচ্ছে তাদের দাম্পত্য। সম্প্রতি সিদ্দিকের স্ত্রী মিমই গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।
মিমের দেয়া তথ্য মতে, কয়েক মাস ধরেই নানা কারণে সিদ্দিকের সঙ্গে তার দূরত্ব বেড়ে গেছে। বাধ্য হয়ে গত তিন মাস ধরে তিনি স্বামীর কাছ থেকে আলাদা থাকছেন। এর কারণ প্রসঙ্গে মিম বলেন, কিছুদিন আগে তার একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার কথা ছিল। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন এই মডেল ও অভিনেত্রী।
বিজ্ঞাপনটির নির্মাতা ছিলেন রানা মাসুদ। কিন্তু হঠাৎই মিম জানতে পারেন, ওই বিজ্ঞাপনে তাকে বাদ দিয়ে অন্য মডেল নিয়ে কাজ করা হয়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার স্বামী সিদ্দিকই নাকি তাকে বাদ দিয়ে অন্য মডেল দিয়ে কাজ করানোর জন্য নির্মাতা মাসুদ রানাকে প্রভাবিত করেন।
স্বামীর এমন কাণ্ডে হতবাক মডেল ও অভিনেত্রী মিম। কেন সিদ্দিক এমনটা করলেন তিনি বুঝতে পারছেন না। এ প্রসঙ্গে মিম বলেন, ‘সিদ্দিক নিজেও একজন শোবিজের মানুষ। অভিনয় করে, মডেলিং করে। তার কাজের ব্যাপারে আমার কোনো দিন কোনো আপত্তি বা নেতিবাচক ভাবনা ছিল। সে আমার সঙ্গে এমনটা কীভাবে করলো?’

অক্টোবর ১৭
০৪:১০ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

বাবুর্চি থেকে হোটেল মালিক আফজাল

বাবুর্চি থেকে হোটেল  মালিক আফজাল

মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা: ছিলেন বাবুর্চি এখন হোটেল মালিক। ৯০’ এর দশকে হোটেলের বয় হিসাবে যাত্রা শুরু এই যুবকের। আজ তিনি নিজেই একটি হোটেল পরিচালনা করছে। সুদীর্ঘ এই পেশাদার জীবনে অনেক পেয়েছেন। পেয়েছেন অর্থ, খ্যাতি, সম্মান ও সর্বোপরি সবার ভালোবাসা। এ ছাড়া বাগমারার সকল হোটেল কর্মচারিরা তাকে নেতাও বানিয়েছে। তিনি

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত