Daily Sunshine

যমুনা শাখায় ব্রিজ দাবী পারাপারে ভরসা নৌকা

Share

স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ধরঞ্জী দুই ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা শাখা যমুনা নদী অবস্থিত। জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিনিয়ত নৌকা দিয়ে হাজার হাজার লোকজন ও ছাত্র ছাত্রীরা পারাপার হয়ে বিবিন্ন গন্তব্যে পৌছে। এ যমুনা নদীটি বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ আকার ধারন করে। জীবনের ঝুকি নিয়ে জনসাধারণ ও ছাত্র ছাত্রীরা নৌকায় পারাপার হওয়ায় যেকোন মূহুর্তে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।
বাগজানা ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থাকার কারনে যেমন বাগজানা হাইস্কুল, ভূমি অফিস, প্রাইমারী স্কুল, ব্যংক, বাসস্ট্যান্ড, থাকায় এ খেয়াঘাট দিয়ে হাজার হাজার লোকজন চলাচল করে তাই দুই ইউনিয়নের প্রাণের দাবী বাগজানায় ব্রীজটি কবে হবে। ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষক সময় মত স্কুলে আসতে পারে না।
বাগজানা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন আমরা জীবনের ঝুকি নিয়ে নৌকা পার হই আর সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে পৌছাতে পারি না। বর্তমানে যে নৌকাটি চলছে তা অতি পুরাতন ও জোরাতালি দেয়া। বিগত দিনগুলোতে বিভিন্ন সময় জয়পুরহাট ১ আসনের সংসদ সদস্য আল্হাজ্ব সামছুল আলম দুদু জনসভায় নির্বাচনী অঙ্গিকারে বলেছিলেন তিনি নির্বাচিত হলে বাগজানা শাখা যমুনা নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণের ব্যপারে তিনি সার্বিক ভাবে চেষ্টা করবেন কিন্তু বর্তমানে এখনো বাস্তবায়ন হয় নাই।
প্রতিনিয়ত ঝুকিপূর্ণভাবে নদী পারাপার করতে গিয়ে যে কোন মূহুর্তে মর্মান্তাতিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং কোন মূমুর্ষূ রোগীকে সময় মত হাসপাতালে পৌছানো অনেক দূরহ ব্যপার। তাই বাগজানা শাখা যমুনা নদীর উপর ব্রীজটি অতি জরুরী ভাবে বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।

অক্টোবর ১৩
০৪:১২ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

শিশির ভেজা পায়ে এলো হেমন্ত

শিশির ভেজা পায়ে এলো হেমন্ত

রোজিনা সুলতানা রোজি : বছর ঘুরে হেমন্ত এলো শিশির সিক্ত পায়ে…হাল্কা শীতের ছোঁয়া যেন লাগছে এসে গায়ে….। শরৎ শেষে হেমন্তের আগমনি বার্তা এখন প্রকৃতিতে। কালের পরিক্রমায় ভাদ্র-আশি^ন পেরিয়ে প্রকৃতিতে এলো হেমন্ত। আজ হেমন্তের প্রথম মাস কার্তিকের প্রথম দিন। আজ থেকেই গণনা শুরু হলো হেমন্তের। ষড়ঋতুর দেশে কার্তিক ও অগ্রহায়ণ এই

বিস্তারিত




এক নজরে

চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত