Daily Sunshine

আলু চিপস্ বাবুর সংসার

Share

রোজিনা সুলতানা রোজি: সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে বিকেল পর্যন্ত কাধে আলু চিপসের ঝুড়ি নিয়ে শহর ময় ঘুরে বেড়ান তিনি। যেখানে মানুষের জটলা সেখানে বসে বসে বিক্রি করেন নিজের তৈরী আলু চিপস্। সেখানে বিট লবন দিয়ে আরো টেস্টি করে তোলেন তিনি। এই আলু চিপস বিক্রেতার নাম বাবু। বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। আলু চিপস বিক্রি করেই ১২ বছর ধরে সংসার চালাচ্ছেন তিনি। কখনো রাজশাহী তো কখনো ঢাকার অলিগলি ঘুরে ঘুরে তিনি বিক্রি করেন আলু চিপস্।
বাবুর বাড়ি জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার সোনামুখি গ্রামে। এক ছেলে এক মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে তার পরিবার। মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। সে এখন থাকে শ্বশুরবাড়ি। আর ছেলেটা ঢাকায় কাজ করেন। তিনি ঘুরে ঘুরে চিপস বিক্রি করেন। ঝুড়ির চিপস শেষ হলে আবার ফিরে যান গ্রামের বাড়ি। সেখানে স্ত্রী ও তিনি মিলে আবার আলু চিপস তৈরি করেন। এভাবেই চলছে তার জীবনের চাকা।
সম্প্রতি রাজশাহী নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় কথা হয় চিপস ওয়ালা বাবুর সঙ্গে। সদা হস্যোজ্জ্বল তিনি। বললেন আলু চিপস তৈরি ও বিক্রির গল্প। তিনি বলেন, বছরের শুরুর দিকে এক সঙ্গে অন্তত ১০০ মন আলু কিনে নেন তিনি। তারপর সারাবছর ধরে সে আলু সংরক্ষনে রেখে বাড়িতেই চিপস বানান। এরপর হাটে বাজারে বড় বড় শহরে বেরিয়ে পড়েন তা বিক্রির জন্য। এতে সব মিলিয়ে প্রতিদিন তার আয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা হয়। এতেই সংসার ভালোভাবে চলে যায় তার বলে জানান তিনি।
বাবু বলেন, প্রথমে আলু চিকন গোল করে কাটা হয়। এরপর আধা-সিদ্ধ করে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষনের পর পরিমান মত তেলে ভেজে তৈরি করা হয় চিপস। সম্পূর্ণ নির্ভেজাল তার এ চিপস। সঙ্গে বিট লবনের মিশ্রনে হয়ে উঠে অরো মুখ রোচক। বেচা বিক্রি ভালোই হয় বলে জানান তিনি।

অক্টোবর ১১
০৪:১১ ২০১৯

আরও খবর

পত্রিকায় যেমন

বিশেষ সংবাদ

জীবিকা যখন কান পরিস্কার

জীবিকা যখন কান পরিস্কার

স্টাফ রিপোর্টার: নগরীতে প্রায় ৪০ বছর ধরে কান পরিস্কার করে যাচ্ছেন চারঘাটের রতন আলী। তার বয়স এখন ৫৬ বছর চলছে। সেই ১৯৮০ সাল থেকে এ পেশায় জীবিকা নির্বাহ করছেন। রতন আলী চারঘাট উপজেলার খোর্দ্দগোবিন্দপুর চকরপাড়া থেকে প্রায় প্রতিদিনই রাজশাহী নগরীতে আসেন। নগরীর বিভিন্ন পাড়া মহল্লা অফিস ঘুরে ঘুরে কান পরিস্কার

বিস্তারিত




চাকরি

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সরকারি চাকরি আইনের সাতটি ধারা বাতিল চেয়ে উকিল নোটিস

সানশাইন ডেস্ক: সদ্য কার্যকর হওয়া সরকারি চাকরি আইনের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সাতটি ধারা বাতিল বা প্রত্যাহার করতে স্পিকার ও ছয় সচিবকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছেন। স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতি সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী

বিস্তারিত